কক্সবাজার সৈকতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয়ে যায় একই বিশ্ববিদ্যালয়ের একই হলের তিন বন্ধু। গতকাল সৈকতের পাড়ে একজনের মরদেহ উদ্ধার করার পর আজকে পাওয়া যায় আরেকজন শিক্ষার্থীর মরদেহ। তবে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন আরো একজন শিক্ষার্থী।
বুধবার (৯ জুলাই) সকাল ৮ টার দিকে সৈকতের সমিতি পাড়া পয়েন্ট এলাকায় মৃতদেহটি ভেসে আসে।
সী সেইফ লাইফ গার্ডের সুপারভাইজার মো. ওসমান গণি বলেন, বুধবার সকাল ৮ টার দিকে সৈকতের সমিতি পাড়া পয়েন্ট সাগরে একটি মৃতদেহ ভেসে আসতে দেখে স্থানীয়রা লাইফ গার্ড কর্মীদের খবর দেয়। পরে লাইফ গার্ডের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় মৃতদেহটি উদ্ধার করেছে। ঘটনায় নিখোঁজদের বন্ধু ও স্বজনদের দেওয়া ছবি দেখে মৃতদেহটির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। মৃতদেহটি কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে নেওয়া হয়েছে।
উদ্ধারকৃত মৃত আসিফ আহমেদ বগুড়া সদরের দক্ষিণ নারুলী এলাকার মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে। এর আগে ঘটনার পরপরই মৃত উদ্ধার হয়েছে কে. এম সাদমান রহমান ওরফে সাবাবকে (২১)। তিনি ঢাকার মিরপুর থানার এ/৭ পল্লবী দক্ষিণের বাসিন্দা কে এম আনিসুর রহমানের ছেলে।
ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছে, বগুড়া সদরের দক্ষিণ নিধনিয়া দক্ষিণ পাড়ার মো. আমিনুল ইসলামের ছেলে অরিত্র হাসান। মৃত উদ্ধার ও নিখোঁজ তিনজনই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০২৩-২০২৪ সেশনের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
এর আগে মঙ্গলবার সকালে ৫ বন্ধু মিলে কক্সবাজার ঘুরতে আসে। এক পর্যায়ে তারা হিমছড়ি সৈকতে ঘুরতে যায়। পরে তাদের মধ্যে দুইজন বাঁধের উপরে বসে ছিল এবং অপর ৩ জন বাঁধের নিচে নেমে সাগরে গোসল করছিল। এসময় ঢেউয়ের তোড়ে তিনজনই সাগরে ভেসে যায়।