বরফ, আগ্নেয়গিরি আর অরোরার দেশ আইসল্যান্ডে এমন এক ঘটনার সাক্ষী হলো মানুষ, যা আগে কখনো ঘটেনি—প্রথমবারের মতো দেখা গেছে মশা! এতদিন পর্যন্ত পৃথিবীর মাত্র দুটি অঞ্চল মশামুক্ত হিসেবে পরিচিত ছিল—আইসল্যান্ড ও অ্যান্টার্কটিকা। কিন্তু সেই ইতিহাস এবার বদলে যাচ্ছে।
স্থানীয় কীটতত্ত্ববিদ বিয়র্ন হ্যালটাসন প্রজাপতি পর্যবেক্ষণের কাজে বেরিয়ে এই চমকপ্রদ আবিষ্কার করেন। তিনি জানান, গত সপ্তাহে রাতে মাঠ পর্যবেক্ষণের সময় কয়েকটি ছোট পোকা চোখে পড়ে। ভালোভাবে দেখে তিনি বুঝতে পারেন, এগুলো সাধারণ প্রজাপতি নয়, বরং মশার মতোই দেখতে। পরবর্তীতে তিনি দুটি স্ত্রী ও একটি পুরুষ মশা ধরেন এবং সেগুলো বিশ্লেষণের জন্য পাঠান আইসল্যান্ড ন্যাচারাল হিস্ট্রি ইনস্টিটিউটে।
সেখানকার বিশেষজ্ঞ ম্যাথিয়াস আলফ্রেডসন নিশ্চিত করেন যে এটি সত্যিই মশা, এবং প্রজাতিটি হলো “কুলিসেটা অ্যানুলাটা” — যা ঠান্ডা আবহাওয়াতেও বেঁচে থাকতে সক্ষম কয়েকটি মশার মধ্যে একটি।
আলফ্রেডসন সিএনএনকে বলেন, “এই প্রজাতির মশা ইউরোপের উত্তরাঞ্চল এবং উত্তর আফ্রিকার কিছু এলাকায় দেখা যায়। তবে তারা কীভাবে আইসল্যান্ডে পৌঁছাল, তা এখনো স্পষ্ট নয়।”
আইসল্যান্ডের রাজধানী রিকজাভিকের দক্ষিণ–পশ্চিমে অবস্থিত একটি হিমবাহ উপত্যকায় এই মশাগুলোর দেখা মেলে।
হ্যালটাসন নিজের আবিষ্কারের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে লেখেন,
“আমি সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারলাম, এটি এমন কিছু, যা আগে কখনো দেখিনি। শেষ দুর্গটিও যেন ভেঙে পড়েছে।”
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এ বছর আইসল্যান্ডে দেখা দেওয়া রেকর্ড তাপমাত্রা মশার আগমনের জন্য দায়ী হতে পারে। সাধারণত মে মাসে দেশটিতে তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়ায় না, কিন্তু চলতি বছরে তা ছুঁয়েছে ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আইসল্যান্ডে সাধারণত মশা টিকে থাকার মতো পরিবেশ থাকে না—কারণ সেখানে স্থির পানির জলাধার কম, আর বরফঠান্ডা জলবায়ু মশার প্রজননের অনুপযোগী। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এই পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা।
তবে এটি সাময়িক ঘটনা, না কি সত্যিই মশা এখন আইসল্যান্ডে স্থায়ীভাবে ঘাঁটি গেড়েছে—তা নিশ্চিত হতে আরও পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
চাইলে আমি এই রিপোর্টটা পেশাদার নিউজ পোর্টাল ফরম্যাটে সাজিয়ে দিতে পারি (যেমন: প্রকাশের তারিখ, প্রতিবেদকের নাম, সোর্স লিংক, উপশিরোনাম ও SEO টাইটেলসহ)। তুমি কি সেইভাবে সাজিয়ে দিতে চাইবে?
বরফ, আগ্নেয়গিরি আর অরোরার দেশ আইসল্যান্ডে এমন এক ঘটনার সাক্ষী হলো মানুষ, যা আগে কখনো ঘটেনি—প্রথমবারের মতো দেখা গেছে মশা! এতদিন পর্যন্ত পৃথিবীর মাত্র দুটি অঞ্চল মশামুক্ত হিসেবে পরিচিত ছিল—আইসল্যান্ড ও অ্যান্টার্কটিকা। কিন্তু সেই ইতিহাস এবার বদলে যাচ্ছে।
স্থানীয় কীটতত্ত্ববিদ বিয়র্ন হ্যালটাসন প্রজাপতি পর্যবেক্ষণের কাজে বেরিয়ে এই চমকপ্রদ আবিষ্কার করেন। তিনি জানান, গত সপ্তাহে রাতে মাঠ পর্যবেক্ষণের সময় কয়েকটি ছোট পোকা চোখে পড়ে। ভালোভাবে দেখে তিনি বুঝতে পারেন, এগুলো সাধারণ প্রজাপতি নয়, বরং মশার মতোই দেখতে। পরবর্তীতে তিনি দুটি স্ত্রী ও একটি পুরুষ মশা ধরেন এবং সেগুলো বিশ্লেষণের জন্য পাঠান আইসল্যান্ড ন্যাচারাল হিস্ট্রি ইনস্টিটিউটে।
সেখানকার বিশেষজ্ঞ ম্যাথিয়াস আলফ্রেডসন নিশ্চিত করেন যে এটি সত্যিই মশা, এবং প্রজাতিটি হলো “কুলিসেটা অ্যানুলাটা” — যা ঠান্ডা আবহাওয়াতেও বেঁচে থাকতে সক্ষম কয়েকটি মশার মধ্যে একটি।
আলফ্রেডসন সিএনএনকে বলেন, “এই প্রজাতির মশা ইউরোপের উত্তরাঞ্চল এবং উত্তর আফ্রিকার কিছু এলাকায় দেখা যায়। তবে তারা কীভাবে আইসল্যান্ডে পৌঁছাল, তা এখনো স্পষ্ট নয়।”
আইসল্যান্ডের রাজধানী রিকজাভিকের দক্ষিণ–পশ্চিমে অবস্থিত একটি হিমবাহ উপত্যকায় এই মশাগুলোর দেখা মেলে।
হ্যালটাসন নিজের আবিষ্কারের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে লেখেন,
“আমি সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারলাম, এটি এমন কিছু, যা আগে কখনো দেখিনি। শেষ দুর্গটিও যেন ভেঙে পড়েছে।”
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এ বছর আইসল্যান্ডে দেখা দেওয়া রেকর্ড তাপমাত্রা মশার আগমনের জন্য দায়ী হতে পারে। সাধারণত মে মাসে দেশটিতে তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়ায় না, কিন্তু চলতি বছরে তা ছুঁয়েছে ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আইসল্যান্ডে সাধারণত মশা টিকে থাকার মতো পরিবেশ থাকে না—কারণ সেখানে স্থির পানির জলাধার কম, আর বরফঠান্ডা জলবায়ু মশার প্রজননের অনুপযোগী। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এই পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা।
তবে এটি সাময়িক ঘটনা, না কি সত্যিই মশা এখন আইসল্যান্ডে স্থায়ীভাবে ঘাঁটি গেড়েছে—তা নিশ্চিত হতে আরও পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।