নব্বইয়ের দশকের টেলিভিশন নাটকের জনপ্রিয় মুখ অভিনেত্রী আফসানা মিমি। সংযত অভিনয়, সহজ উপস্থিতি ও চরিত্রে গভীরভাবে ঢুকে যাওয়ার ক্ষমতায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে দর্শকের নির্ভরতার জায়গা হয়ে আছেন।
গত ২০ ডিসেম্বর ৫৭ বছরে পা রেখেছেন এই নন্দিত অভিনেত্রী। প্রতি বছর নিজের জন্মদিনটি তিনি পালন করেন এক ভিন্ন ও মানবিক উপায়ে। রাজধানীর হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে ওই দিন যেসব শিশুর জন্ম হয়, তাদের পরিবারের অজান্তেই উপহার পৌঁছে দেন তিনি। বছরের পর বছর নীরবে এই কাজ করে এলেও বিষয়টি এতদিন প্রকাশ্যে আসেনি।
সম্প্রতি একটি জনপ্রিয় পডকাস্ট অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে জীবনের এমন অনেক না বলা কথা শেয়ার করেন আফসানা মিমি। সেখানে উঠে আসে তার নামকরণের গল্পও। তিনি জানান, শৈশবে ‘মিমি’ চকোলেট ছিল তার খুব প্রিয়। বড় বোনের নামের সঙ্গে মিল রেখে তার পারিবারিক নাম রাখা হয়েছিল ‘জুনি’, আর ভালো নাম ছিল ‘আফসানা করিম’।
অন্যদিকে বাবা আদর করে তাকে ডাকতেন ‘মিম’। তবে চকোলেটের প্রতি ভালোবাসা থেকেই নিজের আগ্রহে ‘মিমি’ নামটি বেছে নেন তিনি। মজা করে অভিনেত্রী বলেন, সম্ভবত তিনিই পৃথিবীর একমাত্র শিশু, যিনি নিজের নাম নিজেই চূড়ান্ত করেছেন।
টেলিভিশন নাটকে তার অভিষেক হয় হুমায়ূন আহমেদের একটি নাটকের মাধ্যমে। এরপর নব্বইয়ের দশকে একের পর এক নাটকে অভিনয় করে তিনি জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছান। তার অভিনীত নাটকগুলোর মধ্যে সম্পর্কনির্ভর ও চরিত্রপ্রধান গল্পে নির্মিত বেশ কয়েকটি কাজ দর্শকের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।
দর্শকপ্রিয় অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবনের নীরব মানবিক উদ্যোগে আফসানা মিমি আজও অনুপ্রেরণার নাম হয়ে আছেন।












