Category: লাইফস্টাইল

  • ১০০% চার্জের পরও ফোন চার্জারে রাখেন? ব্যাটারি ভালো রাখতে মানুন এই নিয়ম

    ১০০% চার্জের পরও ফোন চার্জারে রাখেন? ব্যাটারি ভালো রাখতে মানুন এই নিয়ম

    স্মার্টফোন এখন দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম প্রয়োজনীয় সঙ্গী। তবে ফোনের ব্যাটারি ভালো রাখতে সঠিকভাবে চার্জ দেওয়াও জরুরি। অনেকেই ব্যাটারি কিছুটা কমে গেলেই চার্জে বসিয়ে দেন, আবার কেউ কেউ ফোন ১০০ শতাংশ চার্জ হয়ে যাওয়ার পরও দীর্ঘ সময় চার্জারে লাগিয়ে রাখেন। এতে তাৎক্ষণিক বড় কোনো ক্ষতি না হলেও দীর্ঘমেয়াদে ব্যাটারির সক্ষমতা কমে যেতে পারে।

    বর্তমানে অধিকাংশ স্মার্টফোনে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। এই ব্যাটারির আয়ু চার্জিং সাইকেলের সঙ্গে সম্পর্কিত। ফোনের মোট ১০০ শতাংশ চার্জ ব্যবহারকে একটি পূর্ণ চার্জিং সাইকেল হিসেবে ধরা হয়। সময়ের সঙ্গে চার্জিং সাইকেল বাড়লে ব্যাটারির ধারণক্ষমতাও ধীরে ধীরে কমে।

    ২০-৮০ শতাংশের মধ্যে রাখলে ভালো

    ব্যাটারি দীর্ঘদিন ভালো রাখতে সাধারণভাবে ফোনের চার্জ ২০ থেকে ৮০ শতাংশের মধ্যে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। বারবার শূন্যের কাছাকাছি নামিয়ে ফেলা কিংবা দীর্ঘ সময় ১০০ শতাংশ চার্জে রাখা—দুটিই ব্যাটারির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।

    তবে সবসময় ৮০ শতাংশে চার্জ থামিয়ে রাখা সম্ভব না হলে দুশ্চিন্তার কারণ নেই। প্রয়োজন অনুযায়ী ১০০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ করা যায়। মূল বিষয় হলো, ফোনকে নিয়মিত দীর্ঘ সময় ফুল চার্জ অবস্থায় না রাখা।

    ১০০ শতাংশ হওয়ার পর চার্জারে রাখলে কী হয়?

    আধুনিক স্মার্টফোনে সাধারণত স্মার্ট চার্জিং ব্যবস্থা থাকে। ফলে ফোন ১০০ শতাংশ চার্জ হয়ে গেলে ডিভাইস চার্জ গ্রহণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। তাই কয়েক ঘণ্টা চার্জারে লাগানো থাকলেই ব্যাটারি সঙ্গে সঙ্গে নষ্ট হয়ে যাবে—এমন ধারণা ঠিক নয়।

    তবে দীর্ঘ সময় ধরে ফোনকে ১০০ শতাংশ চার্জে রাখা ব্যাটারির দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যের জন্য আদর্শ নয়। বিশেষ করে ফোন যদি একই সময়ে গরম হয়ে যায়, তাহলে ব্যাটারির ওপর বাড়তি চাপ পড়ে।

    চার্জ দেওয়ার সময় গরম হওয়া এড়ান

    ব্যাটারির জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর বিষয়গুলোর একটি হলো অতিরিক্ত তাপ। তাই চার্জ দেওয়ার সময় ফোন বালিশ, কম্বল বা অন্য কোনো আবদ্ধ জায়গার নিচে রাখা উচিত নয়। খোলা ও বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় ফোন চার্জ দেওয়া ভালো।

    চার্জ দেওয়ার সময় ফোন অস্বাভাবিকভাবে গরম হয়ে গেলে কারণটি খুঁজে দেখা প্রয়োজন। নিম্নমানের চার্জার, কেবল বা অ্যাডাপ্টর ব্যবহার করলেও ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই সম্ভব হলে ফোন নির্মাতার অনুমোদিত বা মানসম্মত চার্জিং সামগ্রী ব্যবহার করা উচিত।

    তাহলে ব্যাটারি ভালো রাখার উপায় কী?

    ব্যাটারির আয়ু দীর্ঘ করতে কয়েকটি অভ্যাস অনুসরণ করা যেতে পারে—

    • সম্ভব হলে চার্জ ২০ শতাংশের কাছাকাছি নামার আগেই চার্জ দিন।
    • দৈনন্দিন ব্যবহারে ২০-৮০ শতাংশের মধ্যে চার্জ রাখার চেষ্টা করুন।
    • প্রয়োজন হলে ১০০ শতাংশ চার্জ করুন, তবে দীর্ঘ সময় ফুল চার্জ অবস্থায় রাখবেন না।
    • চার্জ দেওয়ার সময় ফোন অতিরিক্ত গরম হতে দেবেন না।
    • বালিশ বা কম্বলের নিচে রেখে ফোন চার্জ করবেন না।
    • নিম্নমানের চার্জার ও কেবল ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
    • ফোনে থাকা ব্যাটারি অপ্টিমাইজেশন বা স্মার্ট চার্জিং সুবিধা চালু রাখতে পারেন।

    সবশেষে মনে রাখা দরকার, প্রতিবার ১০০ শতাংশ চার্জ করলেই ফোনের ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যায়—এমন নয়। আধুনিক ফোনের চার্জিং ব্যবস্থা অনেকটাই স্বয়ংক্রিয়। তবে দীর্ঘদিন ব্যাটারির সক্ষমতা ভালো রাখতে অতিরিক্ত তাপ এড়িয়ে চলা এবং দীর্ঘ সময় ১০০ শতাংশ চার্জে ফোন না রাখাই ভালো।

  • প্লাস্টিকের টুলে গোল গর্ত কেন থাকে, জানেন?

    প্লাস্টিকের টুলে গোল গর্ত কেন থাকে, জানেন?

    ড়ি, দোকান কিংবা চায়ের আড্ডা—প্রায় সব জায়গাতেই দেখা যায় প্লাস্টিকের টুল। বসার কাজে প্রতিদিন ব্যবহার করা হলেও এই টুলের মাঝখানে থাকা ছোট গোল গর্তটি কেন রাখা হয়, তা নিয়ে অনেকেরই কৌতূহল রয়েছে।

    অনেকে মনে করেন, শুধু আঙুল ঢুকিয়ে সহজে টুল বহন করার জন্যই এই গর্ত রাখা হয়। তবে এর পেছনে রয়েছে আরও কিছু ব্যবহারিক ও বৈজ্ঞানিক কারণ।

    টুল আটকে যাওয়া ঠেকায়

    একটির ওপর আরেকটি প্লাস্টিকের টুল সাজিয়ে রাখলে মাঝখানের বাতাস আটকে গিয়ে দুই টুলের মধ্যে চাপের পার্থক্য তৈরি হতে পারে। এতে টুল দুটি আলাদা করতে সমস্যা হতে পারে।

    মাঝের গোল গর্ত দিয়ে বাতাস চলাচল করতে পারে। ফলে বাতাস আটকে গিয়ে ভ্যাকুয়ামের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় না এবং একটির ওপর আরেকটি রাখা টুল সহজেই আলাদা করা যায়।

    গোল গর্ত কেন?

    গর্তটি সাধারণত গোল হওয়ার পেছনেও রয়েছে প্রকৌশলগত কারণ। চারকোনা বা তীক্ষ্ণ কোণযুক্ত ছিদ্রের কোণায় চাপের ঘনত্ব বেশি হতে পারে। এতে ওই অংশে ফাটল বা ভাঙনের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

    গোল আকৃতিতে তীক্ষ্ণ কোণ না থাকায় চাপ তুলনামূলকভাবে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে নকশাটি কাঠামোগতভাবে বেশি কার্যকর হতে পারে।

    কম প্লাস্টিক লাগে, টুলও হয় হালকা

    টুলের মাঝখানের অংশ পুরোপুরি নিরেট না রাখায় উৎপাদনে তুলনামূলক কম প্লাস্টিক ব্যবহার করা যায়। এতে টুলের ওজন কমে এবং উৎপাদন খরচও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়।

    এ ছাড়া খোলা নকশার কারণে পানি সহজে বেরিয়ে যায়। টুল ধোয়ার পরও মাঝখানে পানি জমে থাকার সম্ভাবনা কম থাকে এবং এটি দ্রুত শুকিয়ে যায়।

    সব মিলিয়ে, প্লাস্টিকের টুলের মাঝখানের ছোট্ট গোল গর্তটি শুধু নকশার অংশ নয়। বহন করা সহজ করার পাশাপাশি বাতাস চলাচল, কাঠামোগত স্থায়িত্ব, উপাদান সাশ্রয় এবং পানি নিষ্কাশনের মতো একাধিক বিষয় বিবেচনায় রেখেই এমন নকশা করা হয়।

  • চায়ের সঙ্গে সিগারেটের ধোঁয়া? অজান্তেই বাড়ছে যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকি

    চায়ের সঙ্গে সিগারেটের ধোঁয়া? অজান্তেই বাড়ছে যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকি

    অনেকের কাছেই চায়ের সঙ্গে সিগারেট যেন নিয়মিত অভ্যাস। কাজের চাপ কিংবা ক্লান্তি কমাতে চায়ের কাপে চুমুক দেওয়ার পাশাপাশি ধূমপান করেন অনেকে। সাময়িক স্বস্তি মিললেও এই অভ্যাস শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে।

    চা নিজে একটি জনপ্রিয় পানীয় হলেও এর সঙ্গে সিগারেটের ধোঁয়া যুক্ত হলে শরীরে ক্ষতিকর রাসায়নিকের প্রভাব আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে নিয়মিত ধূমপানের কারণে হৃদ্‌যন্ত্র ও ফুসফুসসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

    হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে

    সিগারেটের নিকোটিন ও অন্যান্য ক্ষতিকর রাসায়নিক রক্তনালি সংকুচিত করতে পারে এবং হৃদ্‌যন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। দীর্ঘদিন ধূমপানের ফলে হৃদরোগ, স্ট্রোকসহ বিভিন্ন কার্ডিওভাসকুলার সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে।

    ফুসফুসের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব

    ধূমপানের ধোঁয়া সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করে। দীর্ঘদিনের এই অভ্যাসে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে এবং দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্টসহ গুরুতর রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

    চায়ের সঙ্গে ধূমপান কেন এত প্রচলিত?

    চা ও সিগারেট একসঙ্গে গ্রহণের অভ্যাস অনেকের ক্ষেত্রে রুটিনে পরিণত হয়। চায়ে থাকা ক্যাফেইন সাময়িকভাবে সতেজ অনুভূতি দিতে পারে, অন্যদিকে নিকোটিনও সাময়িক উত্তেজনা তৈরি করে। ফলে দুটির সমন্বয়কে অনেকেই ‘রিফ্রেশিং’ মনে করেন। কিন্তু এই অনুভূতি স্বাস্থ্যের ক্ষতির ঝুঁকি কমায় না।

    অভ্যাসটি ছাড়ার চেষ্টা করুন

    চায়ের সঙ্গে সিগারেট খাওয়ার অভ্যাস থাকলে ধীরে ধীরে তা কমিয়ে আনা এবং সম্ভব হলে পুরোপুরি ধূমপান ত্যাগ করাই সবচেয়ে নিরাপদ। চা খাওয়ার সময় সিগারেটের পরিবর্তে পানি পান, হাঁটাহাঁটি কিংবা স্বাস্থ্যকর কোনো স্ন্যাকস বেছে নেওয়া যেতে পারে।

    মনে রাখা জরুরি—চায়ের চেয়ে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি হলো সিগারেট। ধূমপানের নিরাপদ মাত্রা নেই।

  • চ্যাটে থাম্বস-আপ ইমোজি পাঠানো কি অভদ্রতা? কেন এই বিতর্ক

    চ্যাটে থাম্বস-আপ ইমোজি পাঠানো কি অভদ্রতা? কেন এই বিতর্ক

    চ্যাটে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে অনেকেই থাম্বস-আপ ইমোজি ব্যবহার করেন। কারও কাছে এর অর্থ ‘ঠিক আছে’ বা ‘বুঝেছি’। আবার কারও কাছে শুধু থাম্বস-আপ পাঠানো মনে হতে পারে রূঢ়, অনাগ্রহী বা প্যাসিভ-অ্যাগ্রেসিভ আচরণ। ফলে ছোট্ট এই ইমোজি নিয়েই তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।

    সম্প্রতি ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে থাম্বস-আপ ইমোজির ব্যবহার নিয়ে এমন আলোচনা উঠে এসেছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, থাম্বস-আপ ইমোজি নিজে থেকে অভদ্র নয়। এটি কে পাঠাচ্ছেন, কাকে পাঠাচ্ছেন এবং কোন পরিস্থিতিতে পাঠানো হচ্ছে—তার ওপর এর অর্থ অনেকটাই নির্ভর করে।

    বন্ধুর সঙ্গে দীর্ঘ কথোপকথনের পর শুধু থাম্বস-আপ পাঠালে সেটিকে কেউ কেউ কথা শেষ করার ইঙ্গিত হিসেবে নিতে পারেন। আবার কর্মক্ষেত্রে কোনো সহকর্মীর বার্তার জবাবে এটি ‘বুঝেছি’ বা ‘ঠিক আছে’ বোঝাতে স্বাভাবিকভাবেই ব্যবহার করা যায়।

    প্রজন্মভেদেও ইমোজিটির অর্থ বদলে গেছে। বয়স্কদের কাছে থাম্বস-আপ এখনো সাধারণত সম্মতি বা স্বীকৃতির প্রতীক। তবে তরুণদের একটি অংশ এটিকে অনাগ্রহ, বিরক্তি কিংবা কথোপকথন এড়িয়ে যাওয়ার সংকেত হিসেবে দেখেন।

    আচরণবিষয়ক বিশেষজ্ঞদের মতে, পেশাগত যোগাযোগে থাম্বস-আপ ব্যবহারে কিছুটা সতর্ক থাকা ভালো। কারণ খুব সংক্ষিপ্ত এই প্রতিক্রিয়াকে কখনো কখনো হঠাৎ কথোপকথন শেষ করে দেওয়ার মতো মনে হতে পারে।

    মনোবিজ্ঞানীদের মতে, ইমোজিটির কোনো নির্দিষ্ট রূঢ় অর্থ নেই। অনলাইনে মুখের অভিব্যক্তি, কণ্ঠস্বর বা শরীরের ভাষা বোঝার সুযোগ না থাকায় ছোট একটি ইমোজিও ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা হতে পারে। বিশেষ করে কেউ আগে থেকেই উদ্বিগ্ন বা বিরক্ত থাকলে নিরপেক্ষ প্রতিক্রিয়াকেও নেতিবাচকভাবে নেওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

    তাই চ্যাটে থাম্বস-আপ পাঠানোকে সরাসরি অভদ্র বলা যায় না। তবে সংবেদনশীল আলোচনা, তর্ক বা ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে শুধু ইমোজির বদলে ‘বুঝেছি’, ‘ঠিক আছে’ বা ছোট একটি বাক্যে উত্তর দেওয়া বেশি নিরাপদ।

  • আজ বিশ্ব অলস দিবস, দিনভর বিশ্রামের সুযোগ

    আজ বিশ্ব অলস দিবস, দিনভর বিশ্রামের সুযোগ

    ব্যস্ত জীবনে কাজের চাপ ও নানা দায়িত্বের মাঝে একটু বিরতি নেওয়ার কথা মনে করিয়ে দিতে প্রতি বছর ১০ আগস্ট অনানুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয় বিশ্ব অলস দিবস বা ‘ওয়ার্ল্ড স্লোথ ডে’। কোথাও এটি ‘লেজি ডে’ নামেও পরিচিত।

    দিবসটির মূল ভাবনা হলো—সবসময় ব্যস্ত না থেকে নিজেকে কিছুটা সময় দেওয়া। এদিন কাজের চাপ কমিয়ে ঘরে থাকা, পছন্দের সিনেমা দেখা, বই পড়া, গান শোনা কিংবা একটু বেশি ঘুমিয়ে সময় কাটাতে পারেন।

    যেভাবে কাটাবেন অলস দিবস

    • কিছু সময় মোবাইল, কম্পিউটার ও কাজ থেকে দূরে থাকুন।
    • প্রিয় বই পড়ুন কিংবা গান শুনুন।
    • পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গল্প করে সময় কাটান।
    • পছন্দের সিনেমা বা নাটক দেখুন।
    • শরীর ও মনকে বিশ্রাম দিতে কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে নিতে পারেন।

    বিশ্ব অলস দিবসের সূচনা ঠিক কবে বা কার উদ্যোগে হয়েছিল, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য নেই। তবে ধারণা করা হয়, ব্যস্ত জীবনের মাঝে মানুষকে কিছুটা বিরতি দিয়ে নিজের জন্য সময় দেওয়ার উদ্দেশ্যেই দিনটির প্রচলন হয়েছে।

  • রান্নাঘরে জনপ্রিয় হচ্ছে এয়ার ফ্রায়ার, স্বাস্থ্য সচেতনতায় বাড়ছে ব্যবহার

    রান্নাঘরে জনপ্রিয় হচ্ছে এয়ার ফ্রায়ার, স্বাস্থ্য সচেতনতায় বাড়ছে ব্যবহার

    কম তেলে স্বাস্থ্যকর রান্নার সুবিধা থাকায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এয়ার ফ্রায়ার। আধুনিক এই রান্নার যন্ত্রটি তেলে ডুবিয়ে ভাজার পরিবর্তে গরম বাতাসের মাধ্যমে খাবার রান্না করে। ফলে খুব কম তেল, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে তেল ছাড়াই মচমচে খাবার তৈরি করা সম্ভব হয়।

    এয়ার ফ্রায়ারে ব্যবহৃত র‌্যাপিড এয়ার টেকনোলজি খাবারের চারপাশে উচ্চ তাপমাত্রার বাতাস দ্রুত প্রবাহিত করে। এতে খাবারের বাইরের অংশ মচমচে হলেও ভেতরের অংশ নরম থাকে।

    কী কী রান্না করা যায়

    এয়ার ফ্রায়ারে শুধু ফ্রেঞ্চ ফ্রাই নয়, চিকেন ফ্রাই, ফিশ ফ্রাই, চিংড়ি, সিঙ্গাড়া, সমুচা, পেঁয়াজু, বেগুনি, কাবাব, রোস্ট, স্টেক, কেক, কুকিজ, মাফিনসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরি করা যায়। এছাড়া আগের দিনের খাবার পুনরায় গরম ও মচমচে করতেও এটি কার্যকর।

    বাংলাদেশে বাড়ছে ব্যবহার

    সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের শহুরে মধ্যবিত্ত পরিবারের রান্নাঘরে এয়ার ফ্রায়ারের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে রমজানে কম তেলে ইফতার তৈরির জন্য অনেক পরিবার এ যন্ত্র ব্যবহার করছেন। পাশাপাশি ছোট রেস্তোরাঁ, ক্লাউড কিচেন ও হোম-বেসড ফুড ব্যবসাতেও এর ব্যবহার বাড়ছে।

    কেন জনপ্রিয়

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এয়ার ফ্রায়ারে প্রচলিত ভাজার তুলনায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম তেল লাগে। এছাড়া দ্রুত রান্না, কম তেলের গন্ধ, সহজ পরিষ্কার এবং গরম তেলের ছিটা বা আগুন লাগার ঝুঁকি কম থাকায় এটি ব্যবহারকারীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

    কিছু সীমাবদ্ধতাও আছে

    তবে একবারে বেশি পরিমাণ খাবার রান্না করা কঠিন হতে পারে। সব খাবারের স্বাদ ডুবো তেলে ভাজার মতো হয় না এবং তরল বা ঝোলজাতীয় রান্নার জন্য এয়ার ফ্রায়ার উপযোগী নয়।

    বাজারে বর্তমানে বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও ধারণক্ষমতার এয়ার ফ্রায়ার পাওয়া যাচ্ছে। প্রয়োজন ও বাজেট অনুযায়ী ছোট-বড় বিভিন্ন মডেল বেছে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। স্বাস্থ্যকর রান্নার প্রতি আগ্রহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এয়ার ফ্রায়ারের ব্যবহারও ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে।

  • বন্যার পানি ঘরে ঢুকলে আতঙ্ক নয়, আগে করুন এই ৭ কাজ

    বন্যার পানি ঘরে ঢুকলে আতঙ্ক নয়, আগে করুন এই ৭ কাজ

    টানা বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল বা আকস্মিক বন্যায় বাড়িতে পানি ঢুকতে শুরু করলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত কিছু জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সিডিসি ও আমেরিকান রেড ক্রসের নির্দেশনা অনুযায়ী, সবার আগে পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হবে। পাশাপাশি নিরাপদ হলে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংযোগ বন্ধ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ওষুধ, নগদ টাকা ও মোবাইলসহ জরুরি সামগ্রী জলরোধী ব্যাগে সংরক্ষণ করতে হবে।

    এ ছাড়া বন্যার পানিতে অপ্রয়োজনে না নামা, বিশুদ্ধ পানি ও নিরাপদ খাবার ব্যবহার, একটি জরুরি ব্যাগ প্রস্তুত রাখা এবং পানি নেমে গেলেও ঘরের বৈদ্যুতিক সংযোগ ও ভবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হয়ে ঘরে প্রবেশ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সচেতনতা ও আগাম প্রস্তুতি থাকলে বন্যাজনিত প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

    ৭টি জরুরি করণীয়:

    • পরিবারের সবাইকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিন।
    • নিরাপদ হলে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংযোগ বন্ধ করুন।
    • গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও ওষুধ জলরোধী ব্যাগে রাখুন।
    • বন্যার পানির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।
    • বিশুদ্ধ পানি ও নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করুন।
    • জরুরি ব্যাগ (Emergency Kit) প্রস্তুত রাখুন।
    • পানি নেমে গেলেও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হয়ে ঘরে ফিরবেন না।
  • গজারিয়ায় যাত্রা শুরু করল ‘ন্যাচার লাউঞ্জ’

    গজারিয়ায় যাত্রা শুরু করল ‘ন্যাচার লাউঞ্জ’

    সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি :
    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে মুুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল শাহ শের আলী গ্রুপের নতুন উদ্যোগ ‘ন্যাচার লাউঞ্জ’-প্রকৃতি, বিশুদ্ধ খাবার ও আধুনিক সেবার সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি ব্যতিক্রমধর্মী ফ্যামিলি ডেস্টিনেশন। শুক্রবার ( ১০ জুলাই) দুপুরে এর আনুষ্টানিক উদ্ধোধন করা হয়।
    প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী ড. মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান সরকার-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব, ঢাকার সাবেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রোকন-উদ-দৌলা।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন বিষয়ক সাময়িকী ‘ভ্রমণ’ এর সম্পাদক আবু সুফিয়ান, কবি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান তরুণ, বাংলাদেশ টেলিভিশনের ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’এর নাতি চরিত্রে অভিনেতা শওকত আলী তালুকদার নিপু, উপস্থাপক ও টিভি নাট্য অভিনেতা শাহ সুলতান চৌধুরী (শাহেন শাহ)। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পরিবেশবিদ কাজী হাসান।
    প্রায় দুই দশকের সেবার অভিজ্ঞতা, মানবকল্যাণের অঙ্গীকার এবং মানসম্মত বিপণন দর্শনের প্রতিফলন হিসেবে ‘ন্যাচার লাউঞ্জ’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি প্রচলিত হাইওয়ে রেস্টুরেন্টের ধারণাকে নতুন মাত্রা দিয়ে একই ছাদের নিচে মিলিয়েছে প্রকৃতি, বিশুদ্ধ খাবার, আধুনিক সেবা ও পারিবারিক বিনোদনের অনন্য সমন্বয়।
    শত শত দেশি-বিদেশি গাছপালা, ২১টি দৃষ্টিনন্দন অ্যাকোয়ারিয়ামে রঙিন মাছের সমাহার এবং পাখির কলতানে ভরা এই নৈসর্গিক পরিবেশ দর্শনার্থীদের মনের ক্ষুধা মেটানোর পাশাপাশি এনে দেবে বিশুদ্ধ অক্সিজেনের নির্মল সংস্পর্শ। খাদ্য রসিকদের জন্য রয়েছে দেশি-বিদেশি নানা ধরনের স্বাস্থ্যসম্মত ও সুস্বাদু খাবারের সমাহার। এছাড়া শিশুদের জন্য কিডস জোন, জিম কর্নার, মেশিন ম্যাসাজ জোন ও নামাজের সুব্যবস্থাও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটিতে।
    একই কমপ্লেক্সে রয়েছে শাহ শের আলী সিএনজি অ্যান্ড ফিলিং স্টেশন, যেখানে সিএনজি, এলপিজি (অটোগ্যাস), অকটেন ও ডিজেল সরবরাহ করা হয়। আরও রয়েছে অনন্যা মার্ট, আধুনিক জামে মসজিদ এবং ভ্রমণকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সেবা। ফলে এটি শুধু একটি রেস্টুরেন্ট নয়; বরং একটি সমন্বিত হাইওয়ে সার্ভিস কমপ্লেক্স হিসেবে গড়ে উঠেছে।
    বিয়ে, জন্মদিন, করপোরেট সভা, সেমিনার ও অন্যান্য সামাজিক আয়োজনের জন্য রয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, সবুজে ঘেরা আধুনিক অনুষ্ঠানস্থল। প্রশস্ত পার্কিং, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও আন্তরিক সেবার কারণে ন্যাচার লাউঞ্জ দূরপাল্লার যাত্রীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত মিলনকেন্দ্র হয়ে উঠবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী।
    উল্লেখ্য, শাহ শের আলী গ্রুপ-এর প্রথম প্রতিষ্ঠান শাহ শের আলী কোম্পানি ড্রেজিং ব্যবসার মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে ২০০০ সালে, পরবর্তীতে ‘শাহ শের আলী সিএনজি অ্যান্ড ফিলিং স্টেশন’-এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০৭ সালে এবং ২০০৯ সালের ১৩ জানুয়ারি বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকায় বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। সেই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, সেবার মানসিকতা এবং উন্নত গ্রাহকসেবার ধারাবাহিকতায় আজ যাত্রা শুরু করল ‘ন্যাচার লাউঞ্জ’-যা ভবিষ্যতে দেশের অন্যতম সেরা প্রকৃতি-নির্ভর হাইওয়ে ফ্যামিলি ডেস্টিনেশন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • পর্যাপ্ত পানি পান করেও শরীরে পানিশূন্যতা? যেভাবে বুঝবেন

    পর্যাপ্ত পানি পান করেও শরীরে পানিশূন্যতা? যেভাবে বুঝবেন

    তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় শরীরকে আর্দ্র রাখা আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে সমস্যা হলো, পানিশূন্যতার লক্ষণ সবসময় তৃষ্ণা হিসেবে প্রকাশ পায় না। অনেকেই নিয়মিত পানি পান করার পরেও শরীরে পানিশূন্যতা অনুভব করতে পারেন।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত ঘাম এবং খনিজ পদার্থের ক্ষয়ের মতো বিষয়গুলো শরীরের তরলের ভারসাম্য নষ্ট করে। শরীর গ্রহণ করা তরলের চেয়ে বেশি তরল হারালে পানিশূন্যতা দেখা দেয়, যা প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থের ভারসাম্য নষ্ট করে। তাই পর্যাপ্ত পানি পান করা সত্ত্বেও শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে।

    ১. ক্লান্তি ও দুর্বলতা

    পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার পরেও যদি সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগে, তবে সেটি শরীরে পানির ঘাটতির লক্ষণ হতে পারে। শরীরে তরলের অভাব হলে রক্ত সঞ্চালনের কার্যকারিতা কমে যায়। ফলে শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন ও পুষ্টি পৌঁছাতে সমস্যা হয়।

    গবেষণায় দেখা গেছে, সামান্য ডিহাইড্রেশনও সতর্কতা কমিয়ে দেয় এবং ক্লান্তি বাড়ায়।

    ২. ঘন ঘন মাথাব্যথা

    বিশেষ করে গরম আবহাওয়ায় বারবার মাথাব্যথা হলে সেটি পানিশূন্যতার ইঙ্গিত হতে পারে। শরীরে পানির ভারসাম্য নষ্ট হলে রক্তপ্রবাহে পরিবর্তন আসে, যা মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে পানির পরিমাণ স্বাভাবিক হলে এই ধরনের মাথাব্যথা অনেকটাই কমে যায়।

    ৩. গাঢ় হলুদ প্রস্রাব

    শরীরে পানির ঘাটতি বোঝার সহজ উপায় হলো প্রস্রাবের রঙ লক্ষ্য করা। যদি প্রস্রাব গাঢ় হলুদ বা বেশি ঘন হয়, তাহলে বুঝতে হবে শরীর পানি ধরে রাখার চেষ্টা করছে।

    গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে পানির পরিমাণ কমে গেলে প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হয়ে যায়।

    ৪. মনোযোগে ঘাটতি

    মনোযোগ ধরে রাখতে সমস্যা হওয়া বা মানসিকভাবে ঝিমঝিম অনুভব করাও ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ হতে পারে। শরীরে পানির সামান্য ভারসাম্যহীনতাও মস্তিষ্কের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিহাইড্রেশন মনোযোগ ও মানসিক কর্মক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।

    ৫. পানি পান করেও তৃষ্ণা অনুভব

    পর্যাপ্ত পানি পান করার পরেও যদি দুর্বলতা বা তৃষ্ণা অনুভূত হয়, তাহলে এর পেছনে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা কাজ করতে পারে। অতিরিক্ত ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে সোডিয়ামসহ প্রয়োজনীয় খনিজ বেরিয়ে যায়।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু পানি নয়—অনেক সময় শরীরের লবণ ও খনিজের ঘাটতিও পূরণ করা প্রয়োজন হয়।

  • কাঁচা আমের শরবত তৈরির রেসিপি জেনে নিন

    কাঁচা আমের শরবত তৈরির রেসিপি জেনে নিন

    গরমে স্বস্তি পেতে শরবতের বিকল্প নেই। আর তা যদি হয় কাঁচা আমের, তাহলে স্বাদে ও তৃপ্তিতে বাড়তি মাত্রা যোগ হয়। খুব সহজেই ঘরে বসে তৈরি করা যায় সুস্বাদু কাঁচা আমের শরবত। অল্প কিছু উপকরণ আর সামান্য সময়েই প্রস্তুত এই পানীয়।

    যা লাগবে
    কাঁচা আম – ১টি
    পুদিনা পাতা – ১ মুঠো
    চিনি – ২-৩ টেবিল চামচ
    বিট লবণ – আধা চা-চামচ
    জিরা গুঁড়া – সামান্য
    ঠান্ডা পানি – পরিমাণমতো

    যেভাবে তৈরি করবেন
    প্রথমে কাঁচা আম খোসাসহ সেদ্ধ করে নিন। সেদ্ধ হয়ে গেলে খোসা ছাড়িয়ে আমের পাল্প আলাদা করে নিন। এরপর পাল্পের সঙ্গে পুদিনা পাতা, চিনি, বিট লবণ, জিরা গুঁড়া ও ঠান্ডা পানি দিয়ে ব্লেন্ডারে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

    মিশ্রণটি গ্লাসে ঢেলে বরফ কুচি দিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন।