টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে চলমান নাটক নতুন মোড় নিতে শুরু করেছে। নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে ভারত সফরে যেতে অস্বীকৃতি জানানো বাংলাদেশকে গত শনিবার বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে স্কটল্যান্ডকে খেলার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
তবে এখন নতুন করে ক্ষীণ আশা জেগেছে যে, আইসিসি হয়তো বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে ফেরাতে পারে। এটি নির্ভর করছে পাকিস্তানের ওপর।
বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিশ্বকাপ বয়কট করার কথা ভাবছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। বোর্ড প্রধান মহসিন নাকভি প্রধানমন্ত্রী শেহবাজের সঙ্গে বৈঠক শেষে জানান, আগামী শুক্রবার বা সোমবার তারা এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন। পাকিস্তান যদি সরে দাঁড়ায়, তাহলেই বাংলাদেশকে ফেরানো হবে। পাকিস্তান ‘এ’ গ্রুপের দল হিসেবে সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় খেলবে। আর তারা বাদ পড়লে পরিবর্তিত দল হিসেবে বাংলাদেশ ওই গ্রুপে খেলবে এবং তাদের দাবির মতো সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হবে।
হিন্দুস্তান টাইমসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান যদি টুর্নামেন্ট বয়কট করে, তাহলে বাংলাদেশকে প্রথম সুযোগ হিসেবে দেওয়া হবে। প্রতিবেদনে এক কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে, ‘পাকিস্তান যদি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়, বাংলাদেশকে ‘এ’ গ্রুপে তাদের স্থলাভিষিক্ত করা হবে। তখন বিসিবির দাবি অনুযায়ী তারা সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় খেলবে। এটা লজিস্টিক্যাল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সহজ করবে।’
তবে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পাকিস্তান হয়তো বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন করে ভাবতে পারে। কারণ, যারা বাংলাদেশের জন্য বিশ্বকাপ বর্জন করবে, তাদের জায়গায় যদি বাংলাদেশ খেলতে যায়, তা পাকিস্তানের জন্য ব্যর্থতার সমতুল্য হতে পারে। এমন পরিস্থিতি এড়িয়ে আইসিসি সম্ভবত চতুর পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে।
এখন অপেক্ষা, পাকিস্তান কী সিদ্ধান্ত নেয় এবং বাংলাদেশকে ফেরানো হবে কি না।