প্রথম ইনিংসে ১৮১ রানে পিছিয়ে থেকেও ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। তখনই বোঝা গিয়েছিল এন্টিগার উইকেটে কিছু একটা আছে। সেই কিছুটা হলো, পেসারদের জন্য বাড়তি মুভমেন্ট। তাসকিন আহমেদ ওই সুবিধা নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট তুলে নেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে থামান ১৫২ রানে।
তবে প্রথম ইনিংসের বড় লিড মিলিয়ে বাংলাদেশকে ৩৩৪ রানের লক্ষ্য দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাবে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ১৩২ রান করে বাংলাদেশ। পেসার শরিফুল ইসলাম রিটায়ার্ড হার্ট হওয়ায় প্রথম টেস্ট ২০১ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছেন মিরাজরা।
টস জিতে বাংলাদেশ প্রথম এই টেস্টে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৯ উইকেটে ৪৫০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। ওপেনার মাইকেল লুইস ৯৭ রানের ইনিংস খেলেন। আলিক আথানজে ৯০ রান যোগ করেন। এছাড়া জাস্টিন গ্রেভার্স খেলেন ১১৫ রানের হার না মানা ইনিংস।
জবাবে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ তৃতীয় দিন শেষে ৯ উইকেটে ২৬৯ রান তোলে। দলের হয়ে মুমিনুল হক ৫০ করেই আউট হন। লিটন দাস খেলেন ৪০ রানের ইনিংস। সর্বোচ্চ ৫৩ রান করেন জাকির হাসান। চতুর্থ দিন সকালে ব্যাটিংয়ে না নেমে ইনিংস ঘোষণা করেন অধিনায়ক মিরাজ।
দ্বিতীয় ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটাররা সেট হতে পারেননি। ওপেনার ব্রাথওয়েট ২৩ রান যোগ করেন। আথানজে ৪২ রানের ইনিংস খেলেন। এছাড়া জসুয়া ডি সিলভা ২২ ও আলজারি জোসেপ করেন ১৭ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের মেহেদী মিরাজ ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন। লিটন দাস ২২ ও জাকের আলী ৩১ রান যোগ করেন।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ ৩ উইকেট নেন। দুই ইনিংসে তাসকিন নেন ৮ উইকেট। ওয়েস্ট ইন্ডিজের আলজারি জোসেপ প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেট নেন। দ্বিতীয় ইনিংসে কেমার রোচ ও জাইডেন সিলস তিনটি করে উইকেট দখল করেন।