বাংলাদেশে ট্রেন-সেবা থেকে ক্ষতি কমলেও এখনো পুরোপুরি লাভজনক হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার রেলপথ ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়বিষয়ক বিশেষ সহকারী শেখ মঈনুদ্দিন। তিনি বলেন, রেল খাতকে লাভজনক ও টেকসই করতে আধুনিক লোকোমোটিভ কেনা জরুরি।
বেসরকারি সংবাদ সংস্থা ইউএনবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ মঈনুদ্দিন জানান, “লোকোমোটিভের অভাব এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা। নতুন লোকোমোটিভ কিনতে পারলে ট্রেন চলাচল বাড়বে, যাত্রা হবে আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময়।”
তিনি বলেন, “বিশ্বের অনেক দেশেই গণপরিবহন খাত সরাসরি লাভজনক নয়। তবে দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও খরচ কমানোর মাধ্যমে রেল খাতকে টেকসই করা সম্ভব।”
নতুন ট্রেন সংযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রসঙ্গে শেখ মঈনুদ্দিন জানান, মাস্টারপ্ল্যানে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যে ঈশ্বরদী এলাকায় ট্রেনলাইন সোজা করার কাজ শুরু হয়েছে, এতে যাত্রাপথও কমবে।
লোকোমোটিভ কেনার বিষয়ে তিনি বলেন, “প্রয়োজনের চেয়ে কিছু বেশি লোকোমোটিভ কেনার পরিকল্পনা আছে, আশা করছি এক মাসের মধ্যেই টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হবে।”
হাই-স্পিড বা পাতাল ট্রেন বিষয়ে তিনি বলেন, “আমাদের দেশে এখনো সে ধরনের অবকাঠামো প্রস্তুত নয়।” গ্রীন রেলওয়ে ধারণা নিয়েও আলোচনা চলছে, তবে বাস্তবায়নে আরও সময় লাগবে বলে জানান তিনি।
যমুনা ট্রেন প্রকল্প সম্পর্কে শেখ মঈনুদ্দিন বলেন, পুরনো লাইনের সংস্কারকাজ চলছে এবং নতুন প্রকল্পের কাজও আগামী মাসের মধ্যে শুরু হবে।