আজ ২২ সেপ্টেম্বর, বিশ্ব গন্ডার দিবস। ২০১০ সালে ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ড সাউথ আফ্রিকা দিনটিকে বিশ্ব গন্ডার দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর থেকে প্রতিবছরই এদিন বিশ্বব্যাপী নানা আয়োজনে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

বিভিন্ন দেশের সরকার, এনজিও, চিড়িয়াখানা ও সাধারণ মানুষ মিলে এই দিনটি পালন করে। বিশ্বব্যাপী গন্ডার শিকার রোধ ও গন্ডারের বাসভূমি সংরক্ষণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশে এই দিবস পালন করা হয়।
সব বন্য প্রাণীর মধ্যে গন্ডার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী। বিপন্ন প্রজাতির গন্ডার বাঁচানোর জন্য এই দিনটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে মোট ৫ ধরনের গন্ডার দেখা যায়। এর মধ্যে আফ্রিকায় পাওয়া যায় সাদা ও কালো গন্ডার, আর এশিয়ায় একশৃঙ্গ, জাভা ও সুমাত্রার গন্ডার। এরা চোরাকারবারি, বন ধ্বংস ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে বিলুপ্তির হুমকিতে রয়েছে।
গন্ডার বাঁচানোর জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকেও একটি বড় হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এই দিনটি একেকটি দেশে একেক রকমভাবে পালিত হয়। যেমন— নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সেমিনার, বিতর্ক সভার আয়োজন, স্কুল কলেজের ছাত্রদের এ ব্যাপারে জানানো, চিত্র প্রদর্শনী এবং স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা, পোস্টার বিলি ইত্যাদি।
প্রাকৃতিক বিপর্যয়, চোরাকারবারি, বন ধ্বংসসহ নানা কারণে গন্ডার এখন বিলুপ্তির পথে। এদের যদি সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করা হয়, তাহলে হয়তো ভবিষ্যতে গন্ডার প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তাই তাদের সংরক্ষণ করার জন্য মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে নানা কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বিশ্ব গন্ডার দিবস পালিত হয়।