নরওয়ের অখ্যাত ক্লাব বোডো/গ্লিমট চ্যাম্পিয়নস লিগে ইতিহাস গড়েছে। মঙ্গলবার রাতে সান সিরোতে গত মৌসুমের রানার্সআপ ইন্টার মিলানকে ২-১ গোলে হারিয়ে দলটি শেষ ষোলোয় পৌঁছেছে। দুই লেগ মিলিয়ে বোডো/গ্লিমটের জয় হয়েছে ৫-২ গোলে।
নরওয়ের আর্কটিক সার্কেলের বোডো শহরের এই ক্লাব প্রথম লেগে ঘরের মাঠে ৩-১ গোলে জিতেছিল। সান সিরোতে দ্বিতীয় লেগে প্রথমার্ধে কোনো গোল হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধের ৫২ মিনিটে ইয়েনস পেতের হাউগে এগিয়ে দেন। ৭২ মিনিটে হাকন এভিয়েন ব্যবধান ২-০ করেন। ৭৬ মিনিটে আলেসান্দ্রো বাস্তোনি ইন্টারকে একটি গোল শোধ করলেও আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি তারা।
বোডো/গ্লিমট এবার প্রথমবার চ্যাম্পিয়নস লিগে এত দূর পৌঁছালো। ১৯৯৭ সালে রোজেনবর্গের পর কোনো নরওয়েজিয়ান ক্লাব ইউরোপের শীর্ষ স্তরে এতটা এগোয়নি। এছাড়া, ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের বাইরে থাকা প্রথম ক্লাব হিসেবে বোডো/গ্লিমট শীর্ষ পাঁচ লিগের দলগুলোর বিপক্ষে টানা চারটি জয় পেয়েছে।
ম্যাচের পর বোডো/গ্লিমটের উইঙ্গার হাউগে বলেন, “আমাদের জন্য এটা অবিশ্বাস্য। আমরা জানতাম ইন্টার খুব শক্তিশালী দল।” কোচ কিয়েতিল নুটসেন বলেন, “এটা ক্লাব, খেলোয়াড়, শহর এবং নরওয়ের জন্য দারুণ এক সন্ধ্যা। আমরা লক্ষ্য নিয়ে ভাবছি না, বরং কীভাবে ভালো পারফর্ম করা যায়, সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
রাতের অন্যান্য ম্যাচে:
-
নিউক্যাসল ইউনাইটেড কারাবাখকে দুই লেগে ৯-৩ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে।
-
আতলেতিকো মাদ্রিদ ক্লাব ব্রুগার ও নিজেদের মাঠে জয় পেয়ে ৭-৪ ব্যবধানে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে।
-
বায়ার লেভারকুসেন ২-০ গোলে অলিম্পিয়াকোসকে হারিয়ে ঘরের মাঠে ড্র করলেও শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে।
বোডো/গ্লিমটের চ্যাম্পিয়নস লিগে এই সাফল্য নরওয়েজিয়ান ফুটবলের ইতিহাসে বিশেষ করে স্বর্ণাক্ষরে লেখা হবে।