এম এ মামুন চুয়াডাঙ্গাঃ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়ন আমীর মফিজুর রহমানকে (৪৫) ঢাকা কাকরাইলের অরোরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ দিন পর মারা গেছে।
মফিজুরের বড় ভাই হাফিজুর(৫৫) গত ২৮ ফেব্রুয়ারী একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১২ টার দিকে ঢাকার কাকরাইল আরেয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মফিজুর মারা যায়।
নিহত মফিজুর জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর ও সুটিয়া গ্রামের মৃত ওয়াহেদুল ইসলামের ছেলে।
উল্লেখ্য পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারী শনিবার সন্ধ্যায় হাসাদহ গ্রামের সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মেহেদী হাসানসহ তার দলবল মিলে রড, চাইনিজ কুড়াল ও ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতা–কর্মীদের ওপর হামলা করে ও এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে এবং হাফিজুরনও মফিজুরের হাত-পা ভেঙে গুড়িয়ে দেয়। এঘটনায় জামায়াতের ৪ জন ও বিএনপির ২ জনসহ ৬ জন গুরুতর আহত হয়। তবে, ওইদিন সবাইকে উদ্ধার করে প্রথমে জীবননগর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক দুইসহদর হাফিজুর রহমান ও মফিজুর রহমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হাওয়ায় তাদেরকে প্রথমে যশোর আড়াইশবেড হাসপাতালে রেফার করা হয়। আড়াইশবেড হাসপাতালের চিকিৎসকরাও রেফার করে ঢাকা মেডিক্যালে। পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের দুইসহদরকে যশোর থেকে এয়ারএ্যাম্বুলেস্নে
ঢাকার কাকরাইলের অরোয়া হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। ওই দিন ২৮ ফেব্রুয়ারী রাত আড়াইটার দিকে হাফিজুর রহমান চিকিউসাধীন অবস্থায় মারা যায় এবং ৃফিজুর রহনান চিকিৎসাধীন থাকে। গত ৯ দিন পর আজ ১০ মার্চ বেলা ১২ টার দিকে জানায়াত নেতা মফিজুর রহমান মারা যায়। একই ঘটনায় দুইসহদরের মৃত্যুকে ঘিরে
এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং পরিবার পরিজন এলাকাবাসী এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা শুরু হয়েছে।
তবে, এঘটনার সাথে জড়িত হাফিজুর রহমান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামী মূল হুতা জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মেহেদী হাসানসহ(৩০) তিনজনকে পুলিশ আটক করেছে।
জীবনগর থাার ওসি সোলাইমান হক জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মফিজুর রহমান মারা গেছে বিষয়টি জেনেছি। বিষয়টি আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।