চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বড় সংগ্রহ গড়ে বাংলাদেশকে কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলেছে নিউজিল্যান্ড। টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক লিটন কুমার দাস, তবে সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮২ রান তোলে সফরকারীরা।
ইনিংসের শুরুটা ভালো হয়নি নিউজিল্যান্ডের। দ্বিতীয় ওভারেই রান আউট হয়ে ফেরেন ওপেনার টিম রবিনসন। তবে এরপরই ঘুরে দাঁড়ায় কিউইরা। কেতেন ক্লার্ক ও ড্যান ক্লেভার দ্বিতীয় উইকেটে ৮৮ রানের জুটি গড়ে দলকে শক্ত ভিত এনে দেন। দুজনই ৫১ রান করে আউট হন—যা ইনিংসের বড় আকর্ষণ হয়ে ওঠে। ক্লার্ক ৩৭ বলে সাতটি চার ও একটি ছক্কায় ইনিংস সাজান, আর ক্লেভার মাত্র ২৮ বলেই একই সংখ্যক চার ও একটি ছক্কায় অর্ধশতক পূর্ণ করেন।
এই জুটি ভাঙার পর কিছুটা চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। মাঝের ওভারগুলোতে রান তোলার গতি কমে যায় এবং দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারায় দলটি। প্রথম ১০ ওভারে ১০০ রান তোলার পর পরের পাঁচ ওভারে আসে মাত্র ৩০ রান। এই সময়ে বেভন জ্যাকবস ও ড্যান ফক্সক্রফট দ্রুত আউট হলে চাপ আরও বাড়ে।
শেষদিকে অধিনায়ক নিক কেলি ইনিংসে গতি ফেরানোর চেষ্টা করেন। ২৭ বলে ৩৯ রান করে দলকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নিলেও ইনিংস শেষ করতে পারেননি। এছাড়া জশ ক্লার্কসন ৩০ রান করেন, আর নাথান স্মিথ যোগ করেন ৪ রান। সব মিলিয়ে ১৮২ রানে থামে নিউজিল্যান্ডের ইনিংস।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে রিশাদ হোসেন ছিলেন সবচেয়ে সফল, তিনি নেন দুটি উইকেট। এছাড়া আরও তিনজন বোলার একটি করে উইকেট শিকার করেন।
এখন জয়ের জন্য বাংলাদেশকে গড়তে হবে নতুন ইতিহাস। কারণ টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সফল রান তাড়া ১৩৫ রান, যা এসেছিল ২০২৩ সালে। ফলে চট্টগ্রামের এই ম্যাচে বড় চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড়িয়ে টাইগারদের ব্যাটিং লাইনআপ।