নেপালের সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কিকে দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।
সুশীলা কার্কি আজ রাতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন বলে দেশটির সংবাদমাধ্যম কান্তিপুর টিভির প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের মুখে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করেন। এরপর দেশটির সেনাবাহিনী দফায় দফায় জেন-জি আন্দোলনকারীসহ বিভিন্ন পক্ষের সাথে সরকার গঠনের বিষয়ে বৈঠক করেন।
জেন-জি আন্দোলনকারীরা একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তিকে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চেয়েছেন। সেই হিসাবে সুশীলা কার্কির নাম আলোচনায় উঠে আসে।
নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি ছিলেন সুশীলা কার্কি। তিনি ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনকালে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছিলেন তিনি। সরকারের মতের বিরুদ্ধে গিয়ে রায় দেওয়ায় তিনি অভিশংসনের মুখেও পড়েছিলেন। তবে সরকার পর্যাপ্ত ভোট না পাওয়ায় সেই যাত্রায় তিনি অভিশংসন থেকে রেহাই পান।
সাত ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড় ছিলেন সুশীলা। কৃষক পরিবার থেকে আসা তার পরিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিপি কৈরালার পরিবারের ঘনিষ্ঠ ছিল। কৈরালা ১৯৫৯ থেকে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত নেপালের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
শিক্ষাজীবনে ১৯৭২ সালে সুশীলা মহেন্দ্র মরাং ক্যাম্পাস থেকে বিএ, ১৯৭৫ সালে বারাণসী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ এবং ১৯৭৮ সালে ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।