তেল আবিবে হাজার হাজার ইসরায়েলি শনিবার (৪ অক্টোবর) রাতে রাস্তায় নেমে গাজা যুদ্ধ দ্রুত বন্ধ করে বন্দিদের ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন। বিক্ষোভকারীরা বড় একটি ব্যানারে লিখেছেন “It’s now or never” এখন না হলে আর কখনোই নয়’ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এই বার্তাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া বিভিন্ন পরিবার ও সমর্থকরা প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের প্রস্তাবিত সমঝোতা চূড়ান্ত করতে চাপ দিতে দেখা গেছে। প্রতিবাদকারীরাদের মধ্যে অনেকের প্রিয়জন এখনও গাজায় বন্দি রয়েছেন; তারা অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে বন্দিদের ফিরিয়ে আনার দাবি জানাচ্ছেন।
সাম্প্রতিক কূটনৈতিগিক এগিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প শুক্রবার ঘোষণা দেন যে ইসরায়েল গাজায় একটি “প্রাথমিক প্রত্যাহার সীমা” মানতে রাজি হয়েছে এবং হামাসের সম্মতিলেই তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে এবং তা বন্দি মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু করবে। তবে একই সময়ে মাঠে হামলা চলছিল বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রিপোর্ট করেছে।
বাড়তি অনুপ্রেরণা হিসেবে প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন যে কায়রোতে টেকনিক্যাল আলোচনার জন্য প্রতিনিধিদল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যেখানে সমঝোতার বিশদ বিষয়গুলো চূড়ান্ত করার চেষ্টা হবে। বিশ্ব সম্প্রদায়, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবেশী দেশগুলো ও ইউরোপীয় অংশীরা আলোচনায় সরাসরি নজর রাখছে।
ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতিকে সমর্থন জানিয়ে আন্দোলনকারীরা বলেন, সব বন্দি ফিরিয়ে আনা হোক এবং যুদ্ধ বন্ধ হোক। অনেক বিক্ষোভকারী বলেছেন, বছরের পর বছর চলে আসা সংঘাত ও জিম্মি সংকট সমাধানের জন্য এই মুহূর্তটি একটি বিরল সুযোগ।
বিশ্লেষকরা বলছেন। যদিও কূটনৈতিক অগ্রগতি নীচে নেমে এসেছে এবং প্রস্তাবটিতে দ্রুত অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছিল—তবুও মাঠে সহিংসতা থামেনি এবং মৃত্যুর খবরও আসছে, ফলে সমঝোতা বাস্তবায়নে ঝুঁকিগুলো রয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোও এ অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে এবং কায়রো আলোচনার ফলাফলই সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।