প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের ভিত্তিতে এসব প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১৮ মে’র মধ্যে সংশ্লিষ্ট ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় বা বিভাগের নির্ধারিত কার্যালয়ে যোগদান করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে যোগদান না করলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী চাকরিতে যোগদানে অনিচ্ছুক বলে বিবেচিত হবে এবং তার নিয়োগপত্র বাতিল করা হবে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, নিয়োগপ্রাপ্তদের জ্যেষ্ঠতা অক্ষুণ্ন রাখতে তাদের ব্যাচের প্রথম নিয়োগপ্রাপ্তদের সঙ্গে একই তারিখ থেকে ভূতাপেক্ষিকভাবে নিয়োগ কার্যকর হবে। তবে এ কারণে তারা কোনো বকেয়া আর্থিক সুবিধা পাবেন না।
উল্লেখ্য, ২৭তম বিসিএসের প্রথম মৌখিক পরীক্ষায় ৩ হাজার ৫৬৭ জন উত্তীর্ণ হন। পরে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সেই ফল বাতিল করে পুনরায় মৌখিক পরীক্ষা নেয়।
ফল বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আদালতে রিট আবেদন করেন। ২০০৮ সালের ৩ জুলাই হাইকোর্ট প্রথম মৌখিক পরীক্ষার ফল বাতিলকে বৈধ ঘোষণা করেন। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করা হয়।
গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ নিয়োগবঞ্চিত ১ হাজার ১৩৭ জনকে নিয়োগের নির্দেশ দেন। এর ধারাবাহিকতায় গত ১৮ ডিসেম্বর ৬৭৩ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সর্বশেষ আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ দেওয়া হলো।