সৌদিয়া ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৪৫টি গন্তব্য থেকে ভ্রমণকারী প্রায় ৪ লাখ হজযাত্রীর জন্য “লাগেজবিহীন হজ” সেবা সম্প্রসারণ করেছে।
মাতারাত হোল্ডিং, সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়, নুসুক প্ল্যাটফর্ম এবং ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনা ও ট্রাভেল লজিস্টিকস বিষয়ক বিশেষায়িত প্ল্যাটফর্ম হালাব্যাগের পূর্ণ ডিজিটাল সমন্বয়ের মাধ্যমে এ সেবা পরিচালিত হচ্ছে।
সৌদিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রযুক্তিনির্ভর এ উদ্যোগের মাধ্যমে আগমন থেকে প্রস্থান পর্যন্ত পুরো যাত্রাপ্রক্রিয়াকে আরও সহজ, কার্যকর ও নির্বিঘ্ন করা হবে। এটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য অনুযায়ী হজযাত্রীদের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করা এবং সেবার মান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
“লাগেজবিহীন হজ” সেবার আওতায় যাত্রীদের অভিজ্ঞতা থেকে ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনাকে আলাদা করা হয়েছে। নুসুক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সংযুক্ত এ ব্যবস্থায় যাচাইকৃত হজযাত্রীর তথ্য ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাগেজ রেকর্ড তৈরি করা হয়। অন্যদিকে হালাব্যাগ প্রতিটি ব্যাগকে নির্দিষ্ট বারকোডের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট যাত্রীর সঙ্গে সংযুক্ত করে, যার ফলে দ্রুত শনাক্তকরণ, স্বয়ংক্রিয় বাছাই এবং তাৎক্ষণিক ট্র্যাকিং নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া হজযাত্রীদের জন্য এ উদ্যোগ অত্যন্ত উপকারী হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বিমানবন্দরে ভিড় কমবে, ব্যস্ত হজ মৌসুমে লাগেজ বহনের শারীরিক কষ্ট হ্রাস পাবে এবং জনসমাগম ব্যবস্থাপনাও আরও কার্যকর হবে। ফলে হজযাত্রীরা লাগেজের ঝামেলা ছাড়াই আরও স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।
এ ছাড়া সৌদিয়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর উন্নত ডিজিটাল সল্যুশনসহ হজযাত্রীদের জন্য বিস্তৃত সেবা প্রদান করছে, যা ভ্রমণ ও বুকিং ব্যবস্থাপনাকে সহজ করে। পাশাপাশি যাত্রার প্রতিটি ধাপে নির্বিঘ্ন ও আরামদায়ক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে সমন্বিত গ্রাউন্ড ও ইন-ফ্লাইট সেবাও প্রদান করা হচ্ছে।