পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে রাজধানীতে ব্যাপক নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেলেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।
সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গাবতলী বাস টার্মিনাল ও গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঈদকে সামনে রেখে পশুর হাট, বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন, লঞ্চ টার্মিনাল ও ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। রাজধানীর প্রতিটি পশুর হাটে সাব-কন্ট্রোল রুম, ওয়াচ টাওয়ার ও দৃশ্যমান পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় প্রতিটি গরুর হাটে জাল নোট শনাক্তকারী মেশিন রাখা হয়েছে। পাশাপাশি জাল নোট চক্র, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি ও ছিনতাইকারীদের ঠেকাতে ডিবিসহ সাদা পোশাকের পুলিশের বিশেষ টিম ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে।
মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, অধিক পরিমাণ নগদ অর্থ পরিবহনের ক্ষেত্রে মানি এস্কর্ট সার্ভিস চালু রয়েছে। এছাড়া মোবাইল টিম, ফুট পেট্রোল ও চেকপোস্ট কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, গাবতলী, উত্তরা, যাত্রাবাড়ীসহ রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। যাতে কোনো পশুবাহী ট্রাককে জোর করে নির্দিষ্ট হাট ছাড়া অন্য কোথাও নামাতে বাধ্য করা না হয়।
ঈদযাত্রায় যাত্রী হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও টিকিট কালোবাজারি ঠেকাতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও জানান ডিএমপি কমিশনার।
তিনি বলেন, “প্রত্যেকটি টার্মিনালে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। বিআরটিএ ভিজিল্যান্স টিমও কাজ করছে। অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ পাওয়া মাত্রই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, ঈদের সময় মহাসড়কে যানজট এড়াতে হাইওয়ে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলছে। ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও যত্রতত্র পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।