গতকাল ০৩ জুন ২০২৬ তারিখ দুপর ১৪১৫ ঘটিকায় উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর অধিনস্থ পালংখালী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বাহারপাড়া নামক স্থানের সীমান্তবর্তী নাফ নদীর শুন্য লাইনের নিকট মিয়ানমার হতে জেলের বেশে হঠাৎ করে নৌকা যোগে কয়েকজন অস্ত্রধারী সশস্ত্র দল উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এটি ইয়াবা চরা চালানোর একটি প্রচলিত স্থান বিধায় তাদেরকে বিজিবি টহল কর্তৃক বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করতে নিষেধ করা সত্ত্বেও তারা ক্রমাগত বাংলাদেশের দিকে আসতে থাকে এবং আমাদের জলসীমায় প্রবেশ করে। উক্ত সময়ে টহলরত ৬৪ বিজিবির বিশেষ দল তাৎক্ষণিকভাবে নাফ নদী সংলগ্ন বেরিবাধে অবস্থান নেয় এবং অস্ত্রধারী সশস্ত্র গ্রুপের উপরগুলি বর্ষণ করে। পরবর্তীতে সশস্ত্র গ্রুপটি কয়েক রাউন্ড ফায়ার করে নৌকা রেখে নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মিয়ানমারে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি টহল দল কর্তৃক তাদের অবস্থানরত নৌকাটি আটক করে তল্লাশী পরিচালনা করে নিম্নবর্ণিত মালামাল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়ঃ
ক। জি থ্রি রাইফেল -০১টি
খ। জি থ্রি খালি ম্যাগাজিন-০৩ টি
গ। খালি ফাইবার ম্যাগাজিন-০৩ টি
ঘ। গুলি ৫১৫ রাউন্ড
ঙ। Symphony বাটন মোবাইল -০১টি
চ। এয়ারটেল সিম-০২ টি
ছ। ইয়াবা-৪০০০ পিস
জ। জি থ্রি পোচেস ০১ টি
ঝ। লুঙ্গি ০২পিস
ঞ। কলার গেঞ্জি-০১টি।
ট। ১০ টাকার নোট -০২টি =২০টাকা
ঠ। Marise সিগারেট ১২ প্যাকেট
উল্লেখ্য যে গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায় গত ৩০ মে ২০২৬ তারিখ বিকাল ১৭৪৫ ঘটিকার সময় হ্নীলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার কাব্যিক চর নামক স্থান যে সশস্ত্র দলটি অপর দুইজন জেলে বেশধারী রোহিঙ্গার নিকট হতে ফায়ার করে ইয়াবা ছিনিয়ে নেয় ওই একই সশস্ত্র দল পালংখালী বিওপির গতকালের ঘটনায় উপস্থিত ছিল।
এ ব্যাপারে সীমান্তে বিজিবি’র জনবল ও গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়। সীমান্তে বসবাসরত সদস্য সকল জনসাধারণ এবং জেলেদের জান মালের নিরাপত্তায় বিজিবি সদা প্রস্তুত রয়েছে । *বিজিবি জানান, “বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং সীমান্তে সন্ত্রাস দমনে সব সময় কঠোর অবস্থান নিয়ে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।*