শনিবার রাতে টেক্সাসের কাইল ফিল্ডে হন্ডুরাসের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে সতীর্থদের সঙ্গে ওয়ার্ম-আপ করলেও শেষ পর্যন্ত মাঠে নামেননি মেসি। ডাগআউটে বসেই দলের ২-০ গোলের জয় উপভোগ করেন তিনি। আর্জেন্টিনা দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার মাঠে ফেরা সম্পূর্ণভাবে শারীরিক অবস্থার উন্নতির ওপর নির্ভর করছে।
গত মাসের শেষ দিকে ইন্টার মায়ামি-এর হয়ে ম্যাচ খেলতে গিয়ে চোট পান মেসি। ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের ৭৩ মিনিটে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। পরে ক্লাব কর্তৃপক্ষ জানায়, তার হ্যামস্ট্রিংয়ে পেশির ক্লান্তি ও অস্বস্তি রয়েছে।
চোটের কারণে দলের সাম্প্রতিক অনুশীলনেও মূল স্কোয়াডের বাইরে আলাদা করে কাজ করতে দেখা গেছে আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে। ফলে বিশ্বকাপের আগে তার পূর্ণ ফিটনেস নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।
বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল আগামী মঙ্গলবার আইসল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। এরপর বিশ্বকাপের মূল পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার মুখোমুখি হবে তারা।
ধারণা করা হচ্ছে, এটাই হতে পারে মেসির শেষ বিশ্বকাপ। ইতোমধ্যে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বাধিক ২৬টি ম্যাচ খেলার রেকর্ড নিজের দখলে নিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি টুর্নামেন্টের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডও হাতছানি দিচ্ছে তাকে। বর্তমানে মিরোস্লাভ ক্লোসে-এর ১৬ গোলের রেকর্ড ভাঙতে মেসির প্রয়োজন আর মাত্র চারটি গোল।
তাই বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সবচেয়ে বড় প্রার্থনা এখন একটাই— দ্রুত সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরুন মেসি। কারণ তার শেষ বিশ্বকাপ ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের প্রত্যাশাও আকাশছোঁয়া।