২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে বিদায় নেওয়ার পরও পর্তুগাল শিবিরে থামছে না ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে ঘিরে বিতর্ক। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে প্রধান কোচ রবার্তো মার্টিনেজের কৌশল নিয়ে—গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কেন গনসালো রামোসকে এক মিনিটের জন্যও মাঠে নামানো হলো না?
স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচে ৪১ বছর বয়সী রোনালদো পুরো সময় মাঠে থাকলেও আক্রমণভাগে প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেননি। ম্যাচের ৯১তম মিনিটে মিকেল মেরিনোর গোলে পর্তুগালের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে যায়।
এর আগে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে যোগ করা সময়ে জয়সূচক গোল করে দলকে শেষ ষোলোয় তুলেছিলেন গনসালো রামোস। কিন্তু স্পেনের বিপক্ষে তাকে বেঞ্চেই বসিয়ে রাখেন কোচ মার্টিনেজ, যা নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন পরিসংখ্যানেও রামোসের কার্যকারিতা নিয়ে আলোচনা চলছে। সর্বশেষ দুই বিশ্বকাপে পেনাল্টি ছাড়া রোনালদোর গোল যেখানে দুটি, সেখানে অনেক কম সময় মাঠে থেকেও গনসালো রামোস করেছেন চারটি গোল। ফলে গোলের প্রয়োজন থাকা ম্যাচে তাকে সুযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশ্লেষক ও সমর্থকরা।
অনেক ফুটবল বিশ্লেষকের মতে, ম্যাচের শেষদিকে রামোসকে নামানো হলে পর্তুগালের আক্রমণে নতুন গতি আসতে পারত। তবে কোচ রবার্তো মার্টিনেজ শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞ রোনালদোর ওপরই আস্থা রাখেন, যা প্রত্যাশিত ফল এনে দিতে পারেনি।
বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো নিশ্চিত করেছেন, এটিই ছিল তার ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ। তবে জাতীয় দল থেকে অবসরের বিষয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানিয়েছেন এই কিংবদন্তি ফুটবলার।