টানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ও কবাখালী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা এখনো পানির নিচে রয়েছে। ফলে দ্বিতীয় দিনের মতো সাজেক, লংগদু ও বাঘাইছড়িগামী সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে মহালছড়ির মাইসছড়ি-কালোপাহাড়-জামতলী এলাকায় সড়ক প্লাবিত হওয়ায় খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়কেও সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
প্রশাসনের তথ্যমতে, কবাখালী ও মেরুং ইউনিয়নে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। শত শত পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিলেও সেখানে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ নলকূপ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানির সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিল পারভেজ জানান, সকাল থেকে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেও লংগদু-মেরুং সড়কের বিভিন্ন অংশ এবং সাজেক সড়ক এখনো পানির নিচে থাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়নি। দুর্গতদের জন্য ত্রাণ বিতরণ, মেডিকেল টিম গঠন এবং ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম চলছে।
এদিকে, রাতের বৃষ্টিপাত কমে চেঙ্গী নদীর পানি সামান্য নামলেও মাইনী নদীর পানি আরও বেড়েছে। জেলা সদরের কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা কমলেও বেশ কয়েকটি নিচু এলাকায় এখনো পানি জমে রয়েছে।