ফিফা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মিশরের নাটকীয় হারের রেশ এবার ছড়িয়ে পড়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনেও। ম্যাচের বিতর্কিত রেফারিং নিয়ে চলমান আলোচনায় এবার মন্তব্য করেছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানী। তিনি দাবি করেছেন, শেষ ষোলোর ওই ম্যাচে মিশর অন্যায়ের শিকার হয়েছে।
বুধবার ‘নেক্সট স্টপ: বেটার বাসেস, ফাস্টার সার্ভিস’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মামদানী। নিউইয়র্কের গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, নতুন উদ্যোগের ফলে বাসযাত্রীদের যাতায়াতের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
তিনি বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে নিয়মিত যাত্রীদের বছরে অন্তত ২৪ ঘণ্টা সময় সাশ্রয় হবে। এক বছর শেষে সেই সাশ্রয় দাঁড়াবে প্রায় দুই দিনে। এই অতিরিক্ত সময় পরিবার, সন্তান এবং ব্যক্তিগত জীবনে ব্যয় করার সুযোগ তৈরি হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বক্তব্যের একপর্যায়ে বিশ্বকাপের প্রসঙ্গ টেনে এনে মামদানী বলেন, “এই বাড়তি সময়ের মানে বন্ধুদের সঙ্গে বসে একমত হওয়া যে, মিশরের সঙ্গে সত্যিই ডাকাতি করা হয়েছে।”
মামদানীর এই মন্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। কারণ, মিশর-আর্জেন্টিনা ম্যাচের রেফারিং নিয়ে ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক চলছে।
শেষ ষোলোর ম্যাচে ৭৮ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল মিশর। তবে শেষ মুহূর্তের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে যায় বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের ৫৮ মিনিটে মোস্তফা জিকোর একটি গোল ভিএআরের সহায়তায় বাতিল করা হয়। পরে ম্যাচের শেষ দিকে হামদি ফাথির ওপর ফাউলের ঘটনায় পেনাল্টির দাবি জানালেও তা নাকচ করে দেন রেফারি। ঠিক সেই আক্রমণের ধারাবাহিকতায় যোগ করা সময়ে জয়সূচক গোল করে আর্জেন্টিনা।
ম্যাচ শেষে মিশরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান বলেন, “আমরা একটি পেনাল্টি পাওয়ার যোগ্য ছিলাম। আমাদের একটি গোলও বাতিল করা হয়েছে। কেন সেটি বাতিল হলো, আমি বুঝতে পারছি না।”
স্ট্রাইকার মোস্তফা জিকোও রেফারির সমালোচনা করে বলেন, “রেফারি শুরু থেকেই আমাদের বিপক্ষে ছিলেন। তিনি চাননি আমরা জিতি।”