চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার বন্যাদুর্গত মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিতে প্রশাসনের পাশাপাশি কোস্ট গার্ড, বিজিবি, আনসার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
শনিবার (১১ জুলাই) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি ও ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত পাঁচ দিন ধরে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং ত্রাণ কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। এ সময় স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন। পরিস্থিতির উন্নতি হলে পর্যায়ক্রমে পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, জেলার সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে বৈঠক করে ক্ষয়ক্ষতি, ত্রাণ বিতরণ এবং পরবর্তী করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
ত্রাণ বিতরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী সব এলাকায় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ যাতে কোনোভাবেই ত্রাণ থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ড, বিজিবি, আনসার এবং প্রয়োজন হলে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা একযোগে কাজ করছেন।
তিনি আরও জানান, দক্ষিণ চট্টগ্রামের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলোতে ত্রাণ বরাদ্দ আরও বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা নিশ্চিত করা হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনর্গঠন কার্যক্রমও আরও গতিশীল করা হবে।