হরমুজ প্রণালি দিয়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন সেপ্টেম্বরে গত ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে সংঘাত ও নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে এই পরিবহন এখনো যুদ্ধ-পূর্ব স্বাভাবিক মাত্রার তুলনায় অনেক কম।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল এনার্জির তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে হরমুজ প্রণালি দিয়ে মোট ১৯টি এলএনজি কার্গো গেছে। এর মধ্যে ১৩টি কাতার থেকে এবং ৬টি সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে। জুনে এই সংখ্যা ছিল ১৫টি।
অন্যদিকে, জাহাজ চলাচল বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলার সেপ্টেম্বরে হরমুজ দিয়ে ২১টি এলএনজি কার্গো বের হওয়ার হিসাব দিয়েছে। অর্থাৎ, তথ্যের উৎসভেদে সংখ্যা কিছুটা ভিন্ন হলেও উভয় হিসাবেই সেপ্টেম্বরে এলএনজি পরিবহন বৃদ্ধির চিত্র পাওয়া যাচ্ছে।
জাহাজের অবস্থান শনাক্ত করতে ব্যবহৃত স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থা (এআইএস) অনেক এলএনজি ট্যাংকার বন্ধ রাখায় প্রকৃত চলাচলের হিসাব নির্ধারণ কঠিন হয়ে পড়েছে। এসব ‘ডার্ক ট্রানজিটের’ কারণে জাহাজের গতিবিধি পুরোপুরি ট্র্যাক করা যাচ্ছে না।
যুদ্ধ শুরুর আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় তিনটি এলএনজি কার্গো বের হতো। ফলে সেপ্টেম্বরে বাড়লেও বর্তমান পরিবহন এখনো স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
বিশ্লেষকদের মতে, শীত মৌসুমে জ্বালানির চাহিদা বাড়ার সময় এই প্রবাহ অব্যাহত রাখা যাবে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। হরমুজ দিয়ে এলএনজি পরিবহন দীর্ঘ সময় ব্যাহত থাকায় ইউরোপ ও এশিয়ার গ্যাস সরবরাহ এবং বাজারদরের ওপরও চাপ তৈরি হয়েছে।












