সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি :
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে চাঁদা না পেয়ে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার উদ্ভবগঞ্জ এলাকায় একটি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ তোলেন ভূক্তভোগী নারী মাকসুদা হোসেন। এর আগে মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁ আমলী আদালতে তিনি বাদি হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। সংবাদ সম্মেলনে তার সঙ্গে ছিলেন স্বামী লোকমান হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মাকছুদা হোসেন বলেন , ২০১১ সালে তিনি উপজেলা বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের পানাম গাবতলী মৌজার ১৭ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। নামজারি ও খাজনা পরিশোধের মাধ্যমে তিনি জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। গত ২৩ সেপ্টেস্বর জমিতে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে পানাম গাবতলী এলাকার হযরত আলীর ছেলে আল আমিন, শফিকুল ইসলামের ছেলে সাকিব, আব্দুল আউয়ালের ছেলে সুমন, আজব আলীর ছেলে শফিকুল ইসলামসহ ৯জন মিলে ওই জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে ফেলে। এক পর্যায়ে ভূক্তভোগীর নারীর কাছ থেকে ১০ লাখ টাকবা চাঁদা দাবি করেন। দাবিকৃত ওই টাকা না দিয়ে জমিতে গেলে প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ম ঙ্গলবার আদালতে মামলা দায়ের করেন।
সংবাদ সম্মেলনের তিনি দাবি করেন, চাঁদা না পেয়ে জমি দখলের অভিযোগে সোনারগাঁও থানায় মামলা করার উদ্দেশ্যে তিনি অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভূক্ত না করে এজহার নামীয় আসামী সুমনের ভাই প্রভাবশালী চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে আঁতাত করে হয়রানী করে। এছাড়াও জমিতে রাখা আড়াই হাজার ইট এবং ১৫ বস্তা সিমেন্ট চুরি করে নিয়ে যায়।
অভিযুক্ত আল আমিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ওই নারীকে তিনি চেনেন না। কখনো দেখা হয়েছে বলে মনে পড়ছে না। যে জমিটি নিয়ে মামলা করা হয়েছে, জমিটি দীর্ঘদিন ধরে খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহার করছেন স্থানীয়রা। এ মাঠে স্থানীয় শিশু ও কিশোররা বিভিন্ন খেলাধুলা করা হয়। তবে বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ইসমাইল হোসেন হিন্দুদের সম্পত্তি ভুয়া দলিল তৈরির মাধ্যমে এ নারীর কাছে বিক্রি করে। ওই নারী প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
সোনারগাঁ থানার ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, জমির সমস্যা নিয়ে এক নারী এসেছেন। তবে তদন্তে পুলিশ পাঠানোর পর ওই নারী আর যোগাযোগ করেনি।












