ভুয়া ও জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি করার অভিযোগের অনুসন্ধানে রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৩ শিক্ষককে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের পাঠানো চিঠিতে আগামী ১ অক্টোবর কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে এসব শিক্ষককে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বিএড সনদের মূল কপি, এক সেট ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে আনতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি দুদকের সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামানের স্বাক্ষর করা একটি চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। চিঠিটি কলেজের অধ্যক্ষের কাছে পাঠিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে উপস্থিত থাকার ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করা হয়েছে।
দুদকের চিঠিতে বলা হয়েছে, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভুয়া ও জাল সনদ ব্যবহার করে শিক্ষকতা করার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগটির সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে ২৩ শিক্ষকের বক্তব্য শোনা ও গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ কারণে তাদের নামের তালিকাসহ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
নোটিশ অনুযায়ী, কোনো শিক্ষক জরুরি কারণে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে না পারলে তাঁর বিএড সনদের মূল কপি, এক সেট ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি কলেজের অধ্যক্ষের জিম্মায় রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
দুদক সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন শিক্ষকের সনদ নিয়ে অভিযোগ ওঠার পর সংশ্লিষ্ট কিছু নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগটি অনুসন্ধানের জন্য কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে।
তলব করা ২৩ শিক্ষকের মধ্যে রয়েছেন—রুবিনা সুলতানা, মো. সুলাইমান, তাহমিনা ইয়াছমিন, মোহা. কাবিউল ইসলাম, সেবিকা রানী পাল, মোছা. নাহিদা আখতার, সালেহ আহমেদ, মো. মোজাম্মেল হক, মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান, মাহফুজা হাসনা, সালমা খাতুন, সুস্মিতা আক্তার, মো. আজিবর রহমান শেখ, মো. রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ আবু বকর, মহিউদ্দিন, আজমল হোসেন, মো. ফরিদুর রহমান শেখ, নুরজাহান, মো. সিরাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ আল আমীন খান, মোহাম্মদ আফছার উদ্দিন এবং এন. এম. মঞ্জুরুল হক।
তবে দুদকের তলব বা অনুসন্ধান কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার সমতুল্য নয়। অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বক্তব্য, সনদ ও অন্যান্য নথিপত্র যাচাইয়ের পর অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।












