হুইলচেয়ারে বসা সাবেক প্রধান উপদেষ্টাকে লক্ষ্য করে স্লোগান; ‘ইউ আর আ টেরোরিস্ট’ ও ‘হোয়াই ইউ কাম হিয়ার’ বলে চিৎকার বিক্ষোভকারীদের
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে বিক্ষোভের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে বিমানবন্দরের ভেতরে হুইলচেয়ারে বসে থাকা ড. ইউনূসের দিকে কয়েকজনকে এগিয়ে গিয়ে উচ্চস্বরে স্লোগান দিতে দেখা যায়।
সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে বিক্ষোভকারীদের ড. ইউনূসকে উদ্দেশ করে ‘ইউ আর আ টেরোরিস্ট’ এবং ‘হোয়াই ইউ কাম হিয়ার’ বলতে শোনা যায়। এ সময় তাঁরা তাঁর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করার অভিযোগও তোলেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও বিভিন্ন স্লোগান দেন তাঁরা।
ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানবন্দরের ভেতরে হুইলচেয়ারে বসে রয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর দিকে এগিয়ে এসে উচ্চস্বরে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
বিক্ষোভকারীদের একজন বা একাধিক ব্যক্তিকে ইংরেজিতে ‘ইউ আর আ টেরোরিস্ট’—অর্থাৎ ‘আপনি একজন সন্ত্রাসী’ এবং ‘হোয়াই ইউ কাম হিয়ার’—অর্থাৎ ‘আপনি এখানে কেন এসেছেন’ বলতে শোনা যায়।
এ ছাড়া বিক্ষোভকারীরা ড. ইউনূসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করার অভিযোগ করেন। বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীকে ঘিরেও তাঁদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দেওয়ার একপর্যায়ে ড. ইউনূসের সঙ্গে থাকা এক সহযোগী তাঁকে সামনে এগিয়ে যেতে সহায়তা করেন। এরপর তিনি সেখান থেকে সামনে এগিয়ে যান।
তবে ভিডিওতে বিক্ষোভের পুরো প্রেক্ষাপট, ঘটনাটি ঠিক কখন ঘটেছে এবং বিক্ষোভকারীরা কারা—এসব বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্যের পেছনে কী কারণ রয়েছে, সে বিষয়েও বিস্তারিত জানা যায়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে শুধু ভিডিওর ভিত্তিতে ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট, বিক্ষোভকারীদের পরিচয় কিংবা তাঁদের অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা যায় না।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা ড. ইউনূসের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক সূত্রের তথ্য প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভিডিওটির সময়, স্থান ও সত্যতা নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে যাচাই করাও জরুরি।












