কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত মধ্যরাতে নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তারা এ প্রতিবাদ জানান।
এর আগে শনিবার রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকার নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ করা হয়েছে, চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় দুর্বৃত্তরা স্টুডিওতে হামলা চালায়।
হামলার ঘটনায় স্টুডিওর বিভিন্ন সরঞ্জাম, কক্ষের আসবাব ও অন্যান্য সামগ্রী ভাঙচুর এবং লুটপাট করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সিসি ক্যামেরাসহ স্টুডিওর বিভিন্ন যন্ত্রাংশও নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার পর ফেসবুক পোস্টে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া লিখেছেন, ‘দেশে কি কোনও সরকার আছে? চাঁদা না দেওয়ায় ইসিবিতে জনাব সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর করেছে সন্ত্রাসীরা।’
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীও ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি তাঁর ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে।
পাটওয়ারী আরও বলেন, জুলাইয়ের কঠিন সময়ে অনেকেই নীরব থাকলেও সালমান মুক্তাদির প্রকাশ্যে ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা ও আশ্রয়ের দায়িত্ব নেওয়ার কথাও তিনি জানিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন পাটওয়ারী।
রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও একজন নাগরিককে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের ভয় নিয়ে চলতে হলে পরিবর্তনের অর্থ কী—এমন প্রশ্ন তুলে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এনসিপির এই নেতা।
তিনি বলেন, ‘এক জালিমের হাত থেকে মুক্ত হয়ে আরেক জালিমের হাতে পড়ার জন্য মানুষ জুলাইয়ে দাঁড়ায়নি।’
ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, দেশকে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও জুলুম থেকে মুক্ত রাখতে হবে।
তবে স্টুডিওতে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় কারা জড়িত এবং চাঁদা দাবির অভিযোগের সত্যতা কী—তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে হামলার কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।












