দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সফল হয়েছে। দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ রক্ষা করেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘সরকার বা দলের নাম ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করলে ছাড় পাবে না। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। সরকার কঠোরভাবে এসব দমন করবে।’
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অবস্থান ও বক্তব্য দৃঢ়ভাবে উপস্থাপন করেছেন। বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধান প্রধানমন্ত্রীকে সাদরে গ্রহণ করেছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের ভিড় প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব সালেহ শিবলী বলেন, নেতাকর্মীদের অতিরিক্ত ভিড় প্রধানমন্ত্রী পছন্দ করছেন না। তাঁর মতে, এটি রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তনের একটি দিক।
প্রেস উইংয়ের সদস্যরা জানান, পাঁচ দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফরে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের স্বার্থ, সম্ভাবনা ও বিভিন্ন অগ্রাধিকারের বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরেছেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষনে দেওয়া ভাষণের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সরকারের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরা হয়েছে বলে তারা জানান।
এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগদান শেষে শনিবার সকালে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানসহ সফরসঙ্গীরা।
প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান জাতীয় সংসদের স্পিকার, চিফ হুইপ, স্থানীয় সরকারমন্ত্রীসহ সরকারের প্রতিনিধিরা।
জাতিসংঘ সফরকালে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন। এসব আলোচনায় বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা, রোহিঙ্গা সংকট, স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন ও আঞ্চলিক সহযোগিতার মতো বিষয় গুরুত্ব পায়।












