ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কোনো বিদেশি আগ্রাসন হলে অত্যাধুনিক সামরিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তার জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুলফজল শেকারচি।
শনিবার দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আধুনিক অপ্রতিসম যুদ্ধকৌশল এবং দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সমরাস্ত্রের ওপর নির্ভরতা বাড়িয়ে নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করেছে। ইরানি সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
শেকারচি দাবি করেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা অতীতের তুলনায় এখন অনেক বেশি উন্নত ও শক্তিশালী। দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর কোনো ধরনের আঘাত এলে প্রতিপক্ষের জন্য ইরানের হাতে ‘অপ্রত্যাশিত চমক’ রয়েছে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর বর্তমান প্রস্তুতি সম্পর্কে শেকারচি বলেন, বাহিনী ‘অত্যন্ত ভালো অবস্থায়’ রয়েছে। সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে অত্যাধুনিক সামরিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সক্ষমতা ইরানের রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই ইরানের পক্ষ থেকে এ ধরনের সতর্কবার্তা এসেছে। এর আগে ইরানের সামরিক নেতৃত্ব জানিয়েছিল, নতুন করে হামলা হলে তারা অস্ত্র, সামরিক কৌশল ও হামলার লক্ষ্য পরিবর্তন করতে পারে।
রয়টার্সের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান একই সঙ্গে সামরিক প্রস্তুতির কথা বলার পাশাপাশি কূটনৈতিক যোগাযোগের পথও খোলা রেখেছে। একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক চাপ কমিয়ে ইরানি বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ তুলে নিলে হরমুজ প্রণালি এক সপ্তাহের মধ্যে পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে তেহরান প্রস্তুত।
তবে নতুন কোনো বিদেশি আগ্রাসনের ক্ষেত্রে ইরান কী ধরনের সামরিক প্রযুক্তি বা অস্ত্র ব্যবহার করবে, শেকারচির বক্তব্যে তার নির্দিষ্ট বিবরণ দেওয়া হয়নি।












