অসম্ভব এক কোণ থেকে লিওনেল মেসির দুর্দান্ত ফ্রি কিকের গোলও শেষ পর্যন্ত ইন্টার মায়ামিকে হার থেকে রক্ষা করতে পারেনি। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে জামাল তিয়ারের গোলে কলম্বাস ক্রু ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে মায়ামিকে। এই হারে মেজর লিগ সকারে টানা পাঁচ ম্যাচ জয়হীন থাকল মেসির দল।
নিজেদের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণে এগিয়ে ছিল কলম্বাস। ২৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন জোসেফ মার্তিনেজ। তবে পিছিয়ে পড়ার মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে দুর্দান্ত ফ্রি কিকে ম্যাচে সমতা ফেরান মেসি।
ডান প্রান্তরেখার কাছাকাছি, গোলপোস্ট থেকে মাত্র কয়েক গজ দূরের অত্যন্ত কঠিন কোণ থেকে বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে বল জালে পাঠান আর্জেন্টাইন তারকা। গোলরক্ষক প্যাট্রিক শুল্টের হাতের নাগালের ওপর দিয়ে বলটি ক্রসবারের নিচ দিয়ে ভেতরের পোস্টের পাশ ঘেঁষে জালে জড়ায়। এই গোলটি ছিল মায়ামির প্রথমার্ধের একমাত্র শটও।
দ্বিতীয়ার্ধে মেসি আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও মায়ামি আর গোলের দেখা পায়নি। ডেভিড আয়ালা বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়ে যায়।
ম্যাচে কলম্বাসের আক্রমণাত্মক আধিপত্যও ছিল স্পষ্ট। স্বাগতিকরা মোট ১৪টি শট নেয়, যেখানে মায়ামির শট ছিল মাত্র পাঁচটি। মায়ামির গোলরক্ষক রোকো রিওস নোভো পাঁচটি সেভ করে দলকে বেশ কয়েকবার বিপদ থেকে রক্ষা করেন।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে আরও বড় ধাক্কা খায় মায়ামি। যোগ করা সময়ের শুরুতে পরপর দুটি হলুদ কার্ড দেখে লাল কার্ড পান সান্তিয়াগো মোরালেস। ফলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় মায়ামি।
এরপর যোগ করা সময়ের নবম মিনিটে নাটকীয় জয়সূচক গোল করেন জামাল তিয়ারে। বক্সের বাইরে থেকে ব্রাইস মেন্দেজের শট মায়ামির গোলরক্ষক ঠেকালেও ফিরতি বল পেয়ে প্রথম স্পর্শেই জালে পাঠান তিয়ারে। তাতেই ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে কলম্বাস।
এই জয়ের পর কলম্বাসের পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ২৯। অন্যদিকে মায়ামির পয়েন্ট ৪৬। মেসির ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স অবশ্য উজ্জ্বলই ছিল—চলতি এমএলএস মৌসুমে তাঁর গোলসংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২১।












