জামায়াতে ইসলামী বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে ট্যাগিং করাকেই রাজনীতির অংশ হিসেবে নিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খান। তাঁর দাবি, মুখে গণহত্যার বিচারের কথা বললেও বিএনপিকে নিয়ে মিথ্যা ন্যারেটিভ ছড়িয়েছে জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব মন্তব্য করেন রাশেদ খান।
রাশেদ খান লেখেন, বিএনপি সরকার গণহত্যার বিচার করবে না—জামায়াত-এনসিপির পক্ষ থেকে এমন একটি ন্যারেটিভ ছড়ানো হয়েছিল। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের সাত নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের মধ্য দিয়ে সেই বক্তব্যের জবাব পাওয়া গেছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনাল-২ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।
তবে রাশেদ খানের বক্তব্যের বড় অংশই জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে তাঁর সমালোচনা। তিনি অভিযোগ করেন, গণহত্যার বিচারে সহযোগিতা করার পরিবর্তে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা দেওয়ার কথা বলেছেন। তাঁর দাবি, ভোটের রাজনীতির কারণে জামায়াত গণহত্যার বিচারের বিরোধিতা করেছে।
রাশেদ খান আরও বলেন, বিএনপিকে দীর্ঘদিন ধরে গণহত্যার বিচার নিয়ে ট্যাগিং করার জন্য জামায়াতের জাতির কাছে দুঃখ প্রকাশ করা উচিত। তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামসহ প্রসিকিউশন দলের সদস্যদেরও ধন্যবাদ জানান।
এদিকে জামায়াতে ইসলামী আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর লংমার্চ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
রাশেদ খানের বক্তব্যের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামী বা এনসিপির পক্ষ থেকে বুধবার তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর পোস্টে করা রাজনৈতিক অভিযোগগুলো তাঁর বক্তব্য হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।












