বিগ বস বাংলার ঘরে ক্যাপ্টেন্সি টাস্ককে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ তুলে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন অভিনেত্রী মনামী ঘোষ। অভিনেতা ভরত কলের কাছে নিজের ক্ষোভ ও অভিমান প্রকাশ করে তিনি বলেন, “ওরা আমাকে বেচে দিয়েছে।” প্রতিযোগিতায় বারবার ক্যাপ্টেন হওয়ার চেষ্টা করেও সফল না হওয়ায় এবং ঘনিষ্ঠদের এমন আচরণের অভিযোগে হতাশ হয়ে পড়েছেন এই অভিনেত্রী।
বিগ বস বাংলার ঘরে প্রতি সপ্তাহেই ক্যাপ্টেন নির্বাচনের জন্য বিশেষ টাস্ক আয়োজন করা হয়। এই টাস্কে বিজয়ী প্রতিযোগী এক সপ্তাহের জন্য ঘর পরিচালনার দায়িত্ব পান। মঙ্গলবারের ক্যাপ্টেন্সি টাস্কে ভরত কল ছাড়া বাকি প্রতিযোগীরা অংশ নেন। প্রতিযোগিতার একপর্যায়ে দুর্নিবার সাহা, তনুশ্রী রায় দাস, সোনামণি সাহা ও রাজবীর দে মূল লড়াইয়ে টিকে থাকেন। তাঁদের মধ্য থেকেই নতুন ক্যাপ্টেন নির্বাচিত হওয়ার কথা ছিল।
তবে টাস্ক চলাকালে নন্দিনী দত্ত ও নিরঞ্জনের মধ্যে গোপন সমঝোতার অভিযোগ সামনে আসার পর পরিস্থিতি নতুন মোড় নেয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিরঞ্জন দুর্নিবারকে ক্যাপ্টেন হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নন্দিনীর সঙ্গে আলোচনা করে মনামীসহ কয়েকজন প্রতিযোগীর বল ইচ্ছাকৃতভাবে ফেলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি জানার পর ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন মনামী। বিগ বসের ঘরে প্রথম সপ্তাহ থেকেই ক্যাপ্টেন হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। কিন্তু ষষ্ঠ সপ্তাহ পার হলেও সেই সুযোগ পাননি। এবারও পরিকল্পিতভাবে তাঁকে প্রতিযোগিতা থেকে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন অভিনেত্রী।
প্রথমে ভরত কলের প্রতি অভিমান প্রকাশ করে মনামী বলেন, তিনি কখনো তাঁর জন্য উৎসাহ প্রকাশ করেননি। এরপর নন্দিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন তিনি। মনামীর অভিযোগ, যাঁদের কাছের মানুষ মনে করেছিলেন, তাঁরাই তাঁকে প্রতিযোগিতায় হারানোর পরিকল্পনায় যুক্ত হয়েছেন।
বিগ বসের ঘরে বন্ধুত্ব, দলীয় সমীকরণ এবং ক্যাপ্টেন্সি নিয়ে প্রতিযোগীদের মধ্যে টানাপোড়েন নতুন নয়। তবে মনামীর এই আবেগঘন প্রতিক্রিয়া প্রতিযোগীদের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। নন্দিনী ও নিরঞ্জনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের সমীকরণ আগামী পর্বগুলোতে কোন দিকে যায়, তা দেখার অপেক্ষায় দর্শকেরা।












