দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরু ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে। ইরানে গণতন্ত্রের অবনতি, বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন, স্বাধীন সাংবাদিকতায় বাধা এবং রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের নিপীড়নের অভিযোগ তুলে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে পেরুর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, শান্তি, গণতন্ত্র ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি নিজেদের ঐতিহাসিক অঙ্গীকারের ভিত্তিতেই ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে ইরানে গণতান্ত্রিক পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন, নারী ও মেয়েশিশুদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ এবং বিরোধী রাজনীতিবিদদের ওপর নিপীড়নের অভিযোগ তোলা হয়েছে।
এ ছাড়া গত মার্চ থেকে হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে পেরু। দেশটির আশঙ্কা, এর ফলে বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার জন্যও ইরানকে দায়ী করেছে পেরু। তবে প্রতিবেদনে ইরানকে ঘিরে চলমান সংকটের প্রেক্ষাপটে গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।












