সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মাদক ব্যবসা ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় যুবকের বিরুদ্ধে অপ প্রচারের অভিযোগ তুলেছেন ব্যবসায়ী এসএম সিহাব রিজন। বৃহস্পতিবার বিকেলে উদ্ভবগঞ্জ এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করে এ প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মাদক ব্যবসা ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় যুবকের বিরুদ্ধে অপ প্রচারের অভিযোগ তুলেছেন ব্যবসায়ী এসএম সিহাব রিজন। বৃহস্পতিবার বিকেলে উদ্ভবগঞ্জ এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করে এ প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনের তিনি জানান, উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের বুরুমদী এলাকায় মাদকের অভয়ারন্য তৈরি হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথিত ছাত্র দল নেতা মো. হাসান মিলে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করেন। মাদক ব্যবসায়ী রিয়াদ ও মাসুম এলাকায় ঢুকতে পারে পারে না। গত শুক্রবার এলাকায় ঢুকার জন্য এলাকাবাসীর ওপর অতর্কিত আক্রমন করে তারা। এসময় ৪জনকে আহত করে মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের সহযোগিরা। এসময় দুটি বাড়িঘরে ভাংচুর ও লুটপাট করে। মাদক ব্যবসায়ী হাসান আওয়ামীলীগের আমলেও মাদক ব্যবসা পরিচালনা করেছে। এখন বিএনপির সময়েও মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছে।
তিনি আরো বলেন, ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্টের আগে জামপুর ইউনিয় পরিষদের সদস্য নিরব মেম্বারের নেতৃত্বে বুরুমদী গ্রামে ৫-৬জনের একটি গ্রুপ মাদক ব্যবসা খোলা মেলাভাবে পরিচালনা করে। আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর ওই গ্রামের লোকজন ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ প্রতিজ্ঞা করে ওই গ্রামে কোন মাদক ব্যবসা করতে দিবেন না। পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় মাদক নির্মূলে কার্যক্রম পরিচালনা করে। আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী ও মাদক ব্যবসায়ী ঐক্যবদ্ধভাবে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছে। এর প্রতিবাদ করার কারনে তাকে জড়িয়ে অপ প্রচার করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, আরেক মাদক ব্যবসায়ী আবু হানিফের নেতৃত্বে মাদক ব্যবসায়ীরা এখনো সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এর আগে বুরুমদী স্কুল মাঠে সমাবেশ করে মাসুমসহ দুজনকে ৩শ টাকার স্ট্যাম্পে মুচলেকা নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের ভালো পথে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কিছুদিন পর পুনরায় কুমিল্লা থেকে এক যুবক এলাকায় মাদক নিয়ে আসে। পরে তিনিসহ এলাকাবাসী ওই মাদক ব্যবসায়ীকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এঘটনাকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ তোলা হয়। প্রকৃতপক্ষে এ ঘটনার সময় তিনি কাঁচপুর এলাকায় একটি অনুষ্ঠানে অবস্থান করেছেন। মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারনে তাকে জড়িয়ে সামজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মিডিয়ার মাধ্যমে সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে এসব অপ প্রচার করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্টের আগে জামপুর ইউনিয় পরিষদের সদস্য নিরব মেম্বারের নেতৃত্বে বুরুমদী গ্রামে ৫-৬জনের একটি গ্রুপ মাদক ব্যবসা খোলা মেলাভাবে পরিচালনা করে। আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর ওই গ্রামের লোকজন ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ প্রতিজ্ঞা করে ওই গ্রামে কোন মাদক ব্যবসা করতে দিবেন না। পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় মাদক নির্মূলে কার্যক্রম পরিচালনা করে। আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী ও মাদক ব্যবসায়ী ঐক্যবদ্ধভাবে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছে। এর প্রতিবাদ করার কারনে তাকে জড়িয়ে অপ প্রচার করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, আরেক মাদক ব্যবসায়ী আবু হানিফের নেতৃত্বে মাদক ব্যবসায়ীরা এখনো সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এর আগে বুরুমদী স্কুল মাঠে সমাবেশ করে মাসুমসহ দুজনকে ৩শ টাকার স্ট্যাম্পে মুচলেকা নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের ভালো পথে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কিছুদিন পর পুনরায় কুমিল্লা থেকে এক যুবক এলাকায় মাদক নিয়ে আসে। পরে তিনিসহ এলাকাবাসী ওই মাদক ব্যবসায়ীকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এঘটনাকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ তোলা হয়। প্রকৃতপক্ষে এ ঘটনার সময় তিনি কাঁচপুর এলাকায় একটি অনুষ্ঠানে অবস্থান করেছেন। মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারনে তাকে জড়িয়ে সামজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মিডিয়ার মাধ্যমে সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে এসব অপ প্রচার করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলন তিনি জানান, একটি প্রতিবেদন আমার নজরে এসেছে। বিদেশে নেওয়ার নাম করে ৮ লাখ টাকা নিয়েছি বলে অভিযোগ তুলেছে। টাকা চাইলে তিনি হত্যার হুমকি ও বাড়িঘর ভাংচুর করেছি এমন অভিযোগও তোলা হয়। এসব ঘটনা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তার সাথে ওই গ্রামের কারো কোন লেনদেন নেই বলে দাবি করেন। তাকে মিথ্যা বলে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে।
তবে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের জন্য তিনি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।












