গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় বেসরকারি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ড্রাগস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিটের পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের জনসংযোগ কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম।
ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ১০টা ১৪ মিনিটে কারখানাটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পাওয়ার পর সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে টঙ্গী ফায়ার স্টেশনের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।
তবে আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় আশপাশের বিভিন্ন ফায়ার স্টেশন থেকে পর্যায়ক্রমে আরও ১৭টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। এসব ইউনিটের মধ্যে রাজধানীর উত্তরা, কুর্মিটোলা, পূর্বাচল এবং গাজীপুরের চৌরাস্তা ও রাজেন্দ্রপুরের ফায়ার স্টেশনের ইউনিটও ছিল। সব মিলিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট।
এ ছাড়া অগ্নিনির্বাপণ ও জরুরি উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য মিরপুর থেকে বিশেষায়িত ‘হ্যাজম্যাট টেন্ডার’ গাড়ি মোতায়েন করা হয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরে ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে যুক্ত হন সেনাবাহিনী ও বিজিবির সদস্যরা। সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ জানা যায়নি। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।
উল্লেখ্য, অগ্নিকাণ্ডের প্রাথমিক তথ্যে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে ভুলবশত কারখানাটির নাম ‘এসেনসিয়াল ড্রাগস’ বলা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে সংশোধনী দিয়ে নিশ্চিত করা হয়, আগুনের ঘটনা ঘটেছে ড্রাগস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কারখানায়।












