জাপানের নাগোয়ায় এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের প্রথম সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ৬ উইকেটে হেরে ফাইনালে ওঠা হলো না বাংলাদেশের। বৃষ্টির কারণে সোয়া এক ঘণ্টা বিলম্বে শুরু হওয়া ম্যাচটি ১৩ ওভারে নামিয়ে আনা হয়। টস হেরে আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১১১ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জবাবে ৯ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে পাকিস্তান।
স্পিনসহায়ক ও অসমান বাউন্সের উইকেটে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। প্রথম ওভারেই তানজিদ হাসান তামিমকে হারায় দল। এরপর সাইম আইয়ুবের বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন অধিনায়ক লিটন দাস। দ্রুতই সাজঘরে ফেরেন পারভেজ হোসেন ইমনও। পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেট হারিয়ে মাত্র ২৭ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। সাইফ হাসান ১৭ বলে ১৯ রান করে আউট হন।
টপ অর্ডারের ব্যর্থতার মধ্যে বাংলাদেশের হয়ে ব্যাট হাতে লড়াই করেন তাওহিদ হৃদয়। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের সঙ্গে তাঁর ৫২ রানের জুটিতে একশ পার করে বাংলাদেশ। হৃদয় ২৫ বলে দুটি চার ও চারটি ছক্কার সাহায্যে ৪২ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ১৩ ওভারে ৭ উইকেটে ১১১ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।
১১২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে পাকিস্তানকে চাপে রাখে বাংলাদেশের বোলাররা। শেখ মেহেদী ও নাসুম আহমেদ দ্রুত দুটি উইকেট তুলে নেন। তবে পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে মুস্তাফিজুর রহমান ১৮ রান খরচ করলে ম্যাচের গতিপথ বদলে যায়। পরে রিশাদ হোসেনের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৫৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে পাকিস্তান।
তবে দশম ওভারে মুস্তাফিজকে আবার বোলিংয়ে এনে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। ওই ওভারে এক ছক্কা ও টানা চার বাউন্ডারিতে ২৩ রান তুলে নেন আব্দুল সামাদ। সব মিলিয়ে দুই ওভারে ৪১ রান খরচ করেন মুস্তাফিজ। শেষ পর্যন্ত হাসান নওয়াজের অপরাজিত ২৭ ও আব্দুল সামাদের অপরাজিত ৩০ রানের সুবাদে ৯ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান।
এই হারে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের স্বর্ণপদক জয়ের আশা শেষ হয়ে গেল। এখন ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে ভারত অথবা শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে লিটন দাসের দল।










