সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ তথ্য জানান। এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের অনলাইন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতার বিকাশে তৌফিক ইমরোজ খালিদী ছিলেন একজন পথিকৃৎ। তাঁর মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ, সজ্জন ও বরেণ্য গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছে। সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমে তাঁর অবদান দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
রাষ্ট্রপতি বিশিষ্ট এই সাংবাদিকের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত স্মৃতিও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তাঁর মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত ও শোকাহত।
তৌফিক ইমরোজ খালিদী ৫৯ বছর বয়সে লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ব্যক্তিগত সফরে লন্ডনে থাকা অবস্থায় ১ অক্টোবর রাতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে সেন্ট বার্থোলোমিউস হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২ অক্টোবর স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২৩ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের পর তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী ও বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা শোক প্রকাশ করছেন।
দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তৌফিক ইমরোজ খালিদী মুদ্রণ, সম্প্রচার ও অনলাইন সাংবাদিকতায় কাজ করেছেন। ২০০৬ সালে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং পরে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশকের দায়িত্ব পালন করেন। অনলাইন সাংবাদিকতার বিকাশে তাঁর ভূমিকার কথা বিভিন্ন শোকবার্তায় উঠে এসেছে।
তাঁর মৃত্যুতে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালীব রহমান এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীও গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁরা তাঁর সাংবাদিকতা ও ডিজিটাল গণমাধ্যমের বিকাশে অবদানের কথা স্মরণ করেন।
তৌফিক ইমরোজ খালিদীর জানাজা ও দাফনের সময় ও স্থান সম্পর্কে তাঁর পরিবার পরে সিদ্ধান্ত জানাবে বলে বাসস জানিয়েছে।












