কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে বিকাশের ৫৭ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় এক নারীকে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে সন্দেহ করছে পুলিশ। তদন্তে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে তিনি বিকাশের টেকনাফ এজেন্সির সেলসম্যানদের গতিবিধি নজরে রাখছিলেন।
পুলিশের ধারণা, ২ আগস্ট ব্যাংক থেকে টাকা তোলার পর ওই নারী বিকাশকর্মীদের অনুসরণ করে ডাকাত দলের সদস্যদের কাছে তাদের অবস্থান ও বাসের গতিপথের তথ্য দেন। পরে ওই তথ্যের ভিত্তিতেই টেকনাফ স্থলবন্দরের উত্তর পাশে ১৪ নম্বর ব্রিজ এলাকায় বাসটির গতিরোধ করে সশস্ত্র ডাকাতরা ৫৭ লাখ টাকা লুট করে।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে আয়াজ নামে এক রোহিঙ্গা ও লেদা এলাকার হোসেন আলী আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গ্রেপ্তার অন্যদের মধ্যে রয়েছেন আকতার হোসেন ও নজরুল ইসলাম। লুট হওয়া টাকার মধ্যে ২ লাখ ২৬ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
তদন্তে আরও উঠে এসেছে, সন্দেহভাজন ওই নারী লেদা এলাকায় সক্রিয় একটি সশস্ত্র ডাকাত দলের সঙ্গে জড়িত। ডাকাতির পর লুটের টাকার একটি অংশ দিয়ে তার বন্ধক রাখা স্বর্ণালংকার ছাড়িয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, ডাকাত দলের প্রায় সব সদস্যকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তার এবং বাকি টাকা উদ্ধারে অভিযান চলছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না।

Leave a Reply