ডেপুটি স্পিকারের নামে জাল ডিও (ডেমি-অফিশিয়াল) লেটার ব্যবহার করে প্রশাসনিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসি ল্যান্ডকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর প্রশাসনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ডেপুটি স্পিকারের নামে জাল ডিও লেটার ব্যবহার করে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি যাচাই-বাছাইয়ের পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং সংশ্লিষ্ট এসি ল্যান্ডকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেয়।
সরকারি সূত্রের দাবি, প্রশাসনিক কার্যক্রমে জাল নথি বা ভুয়া সুপারিশপত্র ব্যবহার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে ঘটনার প্রকৃত কারণ, জাল ডিও লেটার তৈরির উৎস এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত—তা খুঁজে বের করতে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি নথি জালিয়াতির মতো ঘটনা প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তাই দ্রুত তদন্ত শেষ করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি বলে তারা মনে করছেন।