মোংলা বন্দরে ‘ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ’ ঘোষণা দিয়ে খণ্ড খণ্ড করে আমদানি করা চারটি বিলাসবহুল গাড়ির বড় একটি চালান শনাক্ত করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। চালানটিতে রেঞ্জ রোভার, বিএমডব্লিউ, লেক্সাস ও টয়োটা ক্রাউন মডেলের গাড়ি রয়েছে।
সিআইআইডির তথ্য অনুযায়ী, গাড়িগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে চার কোটি থেকে পৌনে সাত কোটি টাকা। বিপুল অঙ্কের শুল্ক ফাঁকির উদ্দেশ্যে চালানটির ইনভয়েস মূল্য দেখানো হয়েছে মাত্র ৭ হাজার ৯৩৫ ডলার। এর বিপরীতে পরিশোধিত শুল্কের পরিমাণ প্রায় ৬ লাখ টাকা।
কাস্টমস কর্মকর্তাদের কায়িক পরীক্ষায় দেখা যায়, গাড়িগুলোর মূল কাঠামো অক্ষুণ্ণ রেখে প্রতিটি গাড়িকে তিন থেকে চারটি বড় অংশে কেটে আনা হয়েছে। এসব অংশ পরবর্তীতে সহজেই পুনরায় সংযোজন করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মনে করছেন, বিলাসবহুল গাড়িগুলোকে ‘ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ’ হিসেবে ঘোষণা করে আমদানির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছে।
চালানটির প্রকৃত মূল্য ও প্রযোজ্য শুল্ক নির্ধারণে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন। এ ঘটনায় সরকারের কী পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতির মুখে পড়ত, তার চূড়ান্ত হিসাব নির্ধারণ করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
শুল্ক ফাঁকির এ ধরনের কৌশল ঠেকাতে আমদানি করা গাড়ির কাগজপত্র, ঘোষণা ও প্রকৃত পণ্যের মধ্যে সামঞ্জস্য যাচাইয়ে আরও কঠোর নজরদারির প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।












