ভারতের কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত কুষ্টিয়ার চারজন ও সাভারের একজনের মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন স্বজনরা। শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে মরদেহগুলো বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।
বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফেরদৌস হোসেন খান জানান, শনিবার দুপুর ২টার দিকে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কুষ্টিয়ার আড়ুয়াপাড়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৪০), তার স্ত্রী আফসানা শারমীন (২৫), তাদের তিন বছরের ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত এবং দেবাশীষের শ্বশুর মো. আকরাম আলী (৬৪)। অন্যজন সাভারের আমিনবাজারের বেগুনবাড়ি এলাকার আহম্মেদ বাবু (৩৭), তিনি আদম আলীর ছেলে।
মরদেহ সংগ্রহের জন্য শুক্রবার বিকেল থেকেই বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট এলাকায় অবস্থান করছেন আহম্মেদ বাবুর স্বজনরা। তার মেজো ভাই মনির হোসেন জানান, সোমবার রাতে ব্যবসায়িক কাজে কলকাতায় যান বাবু। পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পর হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর থেকে তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
বুধবার দুপুরে ভারতীয় হাইকমিশন থেকে পরিবারের সদস্যদের মোবাইল ফোনে বাবুর মৃত্যুর খবর জানানো হয়। পরে হাইকমিশন থেকে পাঠানো ছবি দেখে পরিবারের সদস্যরা তাকে শনাক্ত করেন।
এদিকে সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত ও তার পরিবারের সদস্যদের মরদেহ গ্রহণ করতে কুষ্টিয়া থেকে স্বজন ও সাংবাদিকরা বেনাপোলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন।












