নিউজ আপডেট
নিউজ আপডেট

ইয়েমেন সংকট নিয়ে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) প্রস্তাবে ন্যায্যতা ও ভারসাম্য নিশ্চিত না হলে তাতে সমর্থন দেবে না ইরান। রোববার (১৮ অক্টোবর) বাগদাদে ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের বৈঠকের ফাঁকে এ কথা জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
আনাদোলু বার্তা সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আরাগচি বলেন, ইয়েমেন ইস্যুতে একটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে। তেহরানের প্রত্যাশা, প্রস্তাব ও চূড়ান্ত বিবৃতিতে ন্যায্যতা এবং ভারসাম্য বজায় থাকবে। তা না হলে ইরান এতে যোগ দেবে না।
তিনি জানান, বৈঠকে সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশ নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে। তবে প্রস্তাবের চূড়ান্ত খসড়া এখনো তৈরি হয়নি। ওআইসির অনেক সদস্য দেশের অবস্থান সৌদি আরবের কাছাকাছি হলেও তেহরান অন্য সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে আরাগচি বলেন, ওয়াশিংটনের কাছে ইরানের শর্তগুলো তুলে ধরা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রও নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে এবং তেহরান তার জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সাত দিনের পরিকল্পনা এখনো আলোচনার টেবিলে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র শর্ত পূরণ করলে ষষ্ঠ দিনে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং সপ্তম দিনে আলোচনা শুরু করার কথা বলেন তিনি।
২০১৪ সালে ইরান সমর্থিত হুতিদের ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও কয়েকটি প্রদেশ দখলের পর দেশটিতে সংঘাত শুরু হয়। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সামরিক হস্তক্ষেপ করে। সাম্প্রতিক সময়ে সংঘাত ও হামলা ঘিরে সৌদি আরবের নিরাপত্তা এবং তেল অবকাঠামোও আলোচনায় এসেছে।
বাগদাদে ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের ৫২তম অধিবেশনে ৫৭ সদস্য দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। ইয়েমেন ও ফিলিস্তিন পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে সেখানে আলোচনা হচ্ছে।
আরাগচি আশা প্রকাশ করেন, ইরাকের সভাপতিত্ব ও নতুন মহাসচিব নিয়োগের মাধ্যমে ওআইসি নতুন গতি পাবে এবং মুসলিম দেশগুলোর মধ্যকার বিরোধ নিরসনে গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে।

Share.