আপনার দেওয়া প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের ঘোষণা, মাদকবিরোধী অভিযান ঘিরে বিতর্ক এবং তাঁর পরবর্তী অবস্থান নিয়ে সংবাদটি সাজানো হলো। পদত্যাগের আনুষ্ঠানিকতা ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশসংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের আগে নির্ভরযোগ্য সূত্রে যাচাই করা প্রয়োজন।
মাদকবিরোধী অভিযান ঘিরে বিতর্কের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন ইশরাক হোসেন। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কী কারণে তাঁকে পদ ছাড়তে হচ্ছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক হোসেন বলেন, বিশেষ কিছু কারণে তাঁকে পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হচ্ছে। তবে মাদকের বিরুদ্ধে তাঁর লড়াই অব্যাহত থাকবে। মাদকবিরোধী কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নিতে গিয়েই বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দলীয় উচ্চপর্যায় থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের পরিবর্তে তিনি নিজেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এর আগে গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেললাইনসংলগ্ন এলাকায় অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেওয়ার ঘটনায় তাঁকে ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এ পরিস্থিতিতে রোববার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন। তবে এ নির্দেশের বিষয়টি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার আগে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য দেন ইশরাক হোসেন। সেখানে তিনি জানান, মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়ালেও বিএনপির একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে মাদকের বিরুদ্ধে কাজ চালিয়ে যাবেন। তাঁর মতে, মন্ত্রী বা সংসদ সদস্যের পদে থাকা নয়, সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করাই তাঁর মূল লক্ষ্য।
তিনি আরও জানান, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা এবং প্রজন্ম দলের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে বিভিন্ন জেলায় সফর করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে আরও সক্রিয় থাকার অঙ্গীকার করেন তিনি।
এর আগে রোববার রাতে তাঁর পদত্যাগ নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে খবরটিকে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সোমবারের সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
